ঢাকা ১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ১.৪ কোটি ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • / 12

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই অর্থ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সুরক্ষা ও জীবিকা সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় সহায়তা অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব নবায়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো অনুদান দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

এই অর্থায়নের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং প্রায় ৭০ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবেন। সহায়তার আওতায় শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জীবিকা কর্মসূচি এবং পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে জরুরি সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয়ের সুযোগ তৈরির বিষয়েও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, প্রায় এক দশক ধরে বাস্তুচ্যুত জীবনযাপন করা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য ধারাবাহিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। ইইউর নতুন অর্থায়ন তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা জাগিয়ে রাখতে সহায়ক হবে।

সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্পে নারী ও শিশুরা মানব পাচার, শোষণ এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই নিরাপদ আশ্রয়, আলো, সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং অভিযোগ জানানোর সুযোগ জোরদার করা হবে।

এছাড়া এলপিজির ব্যবহার বাড়লে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের প্রয়োজন কমবে, যা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বন উজাড়ও কমাতে সহায়তা করবে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৫-২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার আওতায় ৭১ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন, যাতে শরণার্থীদের জরুরি চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ১.৪ কোটি ইউরো সহায়তা দিচ্ছে ইইউ

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই অর্থ শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, সুরক্ষা ও জীবিকা সহায়তায় ব্যয় করা হবে।

রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট মোকাবিলায় সহায়তা অব্যাহত রাখতে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে অংশীদারত্ব নবায়ন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এর অংশ হিসেবে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো অনুদান দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

এই অর্থায়নের মাধ্যমে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং প্রায় ৭০ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবেন। সহায়তার আওতায় শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জীবিকা কর্মসূচি এবং পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর পাশে থাকতে ইইউ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি জানান, দীর্ঘস্থায়ী এই সংকটে জরুরি সহায়তার পাশাপাশি শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয়ের সুযোগ তৈরির বিষয়েও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন বলেন, প্রায় এক দশক ধরে বাস্তুচ্যুত জীবনযাপন করা রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জন্য ধারাবাহিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি। ইইউর নতুন অর্থায়ন তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে আশা জাগিয়ে রাখতে সহায়ক হবে।

সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী ক্যাম্পে নারী ও শিশুরা মানব পাচার, শোষণ এবং জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে রয়েছে। তাই নিরাপদ আশ্রয়, আলো, সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং অভিযোগ জানানোর সুযোগ জোরদার করা হবে।

এছাড়া এলপিজির ব্যবহার বাড়লে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের প্রয়োজন কমবে, যা নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকি ও বন উজাড়ও কমাতে সহায়তা করবে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসকে সামনে রেখে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ২০২৫-২০২৬ সালের যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার আওতায় ৭১ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন, যাতে শরণার্থীদের জরুরি চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতে নিরাপদ ও স্বেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসনের পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।