ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / 24

এনবিআর চেয়ারম্যান

প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেন, জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের ব্যবধানজনিত জটিলতা কমাতেই কিছু কর-সুবিধা রাখা হয়েছে, যা কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেকের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। বাজেটে যে বিধান রাখা হয়েছে, তা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ নয়; বরং জমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের পার্থক্যজনিত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা।

তিনি জানান, আগে জমি বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দামে নিবন্ধন করায় বাকি অর্থের হিসাব দেখাতে সমস্যায় পড়তেন। সেই জটিলতা দূর করতে গত বছর একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়। এবার একই ধরনের সুবিধা ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও প্রস্তাব করা হয়েছে।

আব্দুর রহমান খান বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃত লেনদেনের প্রমাণ দেখাতে পারেন, তাহলে নিয়মিত কর ও অতিরিক্ত নির্ধারিত কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শন করতে পারবেন। যাদের অর্থের উৎস ও কর পরিশোধের তথ্য আগে থেকেই রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত কর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনের মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ কারণে মৌজা রেট পুনর্মূল্যায়নে একটি কমিটি কাজ করছে।

তিনি জানান, দেশব্যাপী জরিপের মাধ্যমে মৌজা রেট বাজারদরের কাছাকাছি আনা হলে সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগও অনেকাংশে সীমিত হবে।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই: এনবিআর চেয়ারম্যান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো সুযোগ রাখা হয়নি বলে জানিয়েছেন এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান। তিনি বলেন, জমি ও ফ্ল্যাটের প্রকৃত মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের ব্যবধানজনিত জটিলতা কমাতেই কিছু কর-সুবিধা রাখা হয়েছে, যা কালো টাকা বৈধ করার ব্যবস্থা নয়।

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে স্পষ্ট করেছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান।

শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেকের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। বাজেটে যে বিধান রাখা হয়েছে, তা কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ নয়; বরং জমি ও ফ্ল্যাট কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য এবং নিবন্ধনমূল্যের পার্থক্যজনিত সমস্যার সমাধানের চেষ্টা।

তিনি জানান, আগে জমি বিক্রেতারা প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দামে নিবন্ধন করায় বাকি অর্থের হিসাব দেখাতে সমস্যায় পড়তেন। সেই জটিলতা দূর করতে গত বছর একটি ব্যবস্থা চালু করা হয়। এবার একই ধরনের সুবিধা ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও প্রস্তাব করা হয়েছে।

আব্দুর রহমান খান বলেন, কোনো ব্যক্তি যদি প্রকৃত লেনদেনের প্রমাণ দেখাতে পারেন, তাহলে নিয়মিত কর ও অতিরিক্ত নির্ধারিত কর পরিশোধ করে সেই অর্থ বৈধভাবে প্রদর্শন করতে পারবেন। যাদের অর্থের উৎস ও কর পরিশোধের তথ্য আগে থেকেই রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত কর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জমি নিবন্ধনের মৌজা রেট বাস্তব বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় নানা জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এ কারণে মৌজা রেট পুনর্মূল্যায়নে একটি কমিটি কাজ করছে।

তিনি জানান, দেশব্যাপী জরিপের মাধ্যমে মৌজা রেট বাজারদরের কাছাকাছি আনা হলে সম্পত্তি লেনদেনে প্রকৃত মূল্য গোপনের প্রবণতা কমবে এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগও অনেকাংশে সীমিত হবে।