ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাহিদ ঝড়ে বাংলাদেশের জয়

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 27

মিরপুরে শ্বাসরুদ্ধকর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ দিনে ভয়ংকর গতিতে বল করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান নাহিদ রানা, পঞ্চম দিনে তিনি একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে পাকিস্তান করে ৩৮৬, ফলে ২৭ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রান যোগ করে বাংলাদেশ লক্ষ্য দাঁড় করায় ২৬৭ রানের। সেই লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

শেষ দিনের শুরুতেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বলিংয়ে ইমাম-উল-হক ফেরেন মাত্র ২ রানে। এরপর মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত স্পিনে একের পর এক ভাঙতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। তবে মূল ধস নামান নাহিদ রানা।

গতি আর আক্রমণে তিনি ভেঙে দেন পাকিস্তানের মিডল অর্ডার। অধিনায়ক শান মাসুদ থেকে শুরু করে সৌধ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান— সবাই তার পেসে পরাস্ত হন। ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইংয়ে রিজওয়ানের বোল্ড হওয়া ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।

শেষ দিকে আরও দুই উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন নাহিদ রানা। তার আগ্রাসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে অধিনায়ক শান্ত, মুশফিক ও মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তবে চূড়ান্ত নাটকীয়তা আসে বোলিং বিভাগ থেকে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নাহিদ ঝড়ে বাংলাদেশের জয়

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

মিরপুরে শ্বাসরুদ্ধকর টেস্টে পাকিস্তানকে ১০৪ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। ম্যাচের শেষ দিনে ভয়ংকর গতিতে বল করে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান নাহিদ রানা, পঞ্চম দিনে তিনি একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৪১৩ রানের জবাবে পাকিস্তান করে ৩৮৬, ফলে ২৭ রানের লিড পায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪০ রান যোগ করে বাংলাদেশ লক্ষ্য দাঁড় করায় ২৬৭ রানের। সেই লক্ষ্য তাড়ায় নেমে মাত্র ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।

শেষ দিনের শুরুতেই ধাক্কা খায় সফরকারীরা। তাসকিন আহমেদের দুর্দান্ত বলিংয়ে ইমাম-উল-হক ফেরেন মাত্র ২ রানে। এরপর মেহেদী মিরাজ ও তাইজুল ইসলামের নিয়ন্ত্রিত স্পিনে একের পর এক ভাঙতে থাকে পাকিস্তানের ইনিংস। তবে মূল ধস নামান নাহিদ রানা।

গতি আর আক্রমণে তিনি ভেঙে দেন পাকিস্তানের মিডল অর্ডার। অধিনায়ক শান মাসুদ থেকে শুরু করে সৌধ শাকিল ও মোহাম্মদ রিজওয়ান— সবাই তার পেসে পরাস্ত হন। ১৪৭ কিলোমিটার গতির ইন-সুইংয়ে রিজওয়ানের বোল্ড হওয়া ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাঁড়ায়।

শেষ দিকে আরও দুই উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পাঁচ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন নাহিদ রানা। তার আগ্রাসী বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার।

এর আগে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে অধিনায়ক শান্ত, মুশফিক ও মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তবে চূড়ান্ত নাটকীয়তা আসে বোলিং বিভাগ থেকে।