ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য, শিবিরকর্মী পুলিশ হেফাজতে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফেনী
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 16

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য, শিবিরকর্মী পুলিশ হেফাজতে

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে মোরশেদ আলম আদিব নামে এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মোরশেদ আলম ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী। তিনি ফেনী পলিটেকনিক শাখা ছাত্রশিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মোরশেদ আলম তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইনস্টিটিউটের নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি অন্য শিক্ষার্থীদের নজরে আসার পর সোমবার রাতে তাঁরা হোস্টেল থেকে মোরশেদকে আটক করে কলেজ প্রশাসনকে খবর দেন।

পরে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিযোগের দায় স্বীকার করেন এবং তাঁর মন্তব্যের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাঁকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।

ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে দ্রুত ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানানো হলে তাঁরা এসে পুলিশকে খবর দেন।

শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, মোরশেদ তাঁর সহপাঠী। নারী সহপাঠীদের নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবি জানান।

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ফেসবুকে নারী শিক্ষার্থী ও কলেজ অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দিয়েছেন। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হচ্ছে না। তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে তাঁকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে। এর আগে পর্যন্ত তাঁকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য, শিবিরকর্মী পুলিশ হেফাজতে

সর্বশেষ আপডেট ০১:১২:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নারী শিক্ষার্থী ও অধ্যক্ষকে নিয়ে ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে মোরশেদ আলম আদিব নামে এক শিক্ষার্থীকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মোরশেদ আলম ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের তৃতীয় পর্বের শিক্ষার্থী। তিনি ফেনী পলিটেকনিক শাখা ছাত্রশিবিরের সক্রিয় কর্মী বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, মোরশেদ আলম তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ইনস্টিটিউটের নারী ছাত্রাবাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে একটি পোস্ট দেন। বিষয়টি অন্য শিক্ষার্থীদের নজরে আসার পর সোমবার রাতে তাঁরা হোস্টেল থেকে মোরশেদকে আটক করে কলেজ প্রশাসনকে খবর দেন।

পরে কলেজের শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অভিযোগের দায় স্বীকার করেন এবং তাঁর মন্তব্যের জন্য সবার কাছে ক্ষমা চান। এরপর তাঁকে পুলিশের হেফাজতে দেওয়া হয়।

ফেনী পলিটেকনিক ছাত্রদলের আহ্বায়ক রুবেল মোঘল বলেন, ঘটনার সময় তিনি ক্যাম্পাসের বাইরে ছিলেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে দ্রুত ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। পরে বিষয়টি শিক্ষকদের জানানো হলে তাঁরা এসে পুলিশকে খবর দেন।

শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান বলেন, মোরশেদ তাঁর সহপাঠী। নারী সহপাঠীদের নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বহিষ্কারের দাবি জানান।

ফেনী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের উপাধ্যক্ষ রূপক কান্তি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ফেসবুকে নারী শিক্ষার্থী ও কলেজ অধ্যক্ষকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য করে পোস্ট দিয়েছেন। বিষয়টি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলার পরিপন্থী। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অভিযোগ স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ জানান, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনো মামলা বা লিখিত অভিযোগ করা হচ্ছে না। তাঁর পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা এলে তাঁকে তাদের জিম্মায় দেওয়া হবে। এর আগে পর্যন্ত তাঁকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাটি নিয়ে মঙ্গলবার সকালে কলেজ প্রশাসনের সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।