ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ৪০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 115

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে বড় অঙ্কের ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা’ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। ঋণ কেলেঙ্কারি ও আর্থিক চাপের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা পুনরুদ্ধারই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে পুনর্মূলধনীকরণ ও ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের মাধ্যমে এসব ব্যাংককে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্ত করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাংকিং খাতে মূলধন ঘাটতি ও ঋণ প্রবৃদ্ধির ধীরগতি আর্থিক খাতকে স্থবির করেছে। এ পরিস্থিতি বদলাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্স জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নারী, তরুণ উদ্যোক্তা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর কথাও বাজেটে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগনির্ভর ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগোনোর লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুর্বল ব্যাংক পুনর্গঠনে ৪০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে দুর্বল ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনে বড় অঙ্কের ব্যয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি ব্যবস্থা’ চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। ঋণ কেলেঙ্কারি ও আর্থিক চাপের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া ব্যাংকগুলোর সক্ষমতা পুনরুদ্ধারই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে পুনর্মূলধনীকরণ ও ব্যবস্থাপনায় সংস্কারের মাধ্যমে এসব ব্যাংককে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও শক্ত করা হবে।

অর্থমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাংকিং খাতে মূলধন ঘাটতি ও ঋণ প্রবৃদ্ধির ধীরগতি আর্থিক খাতকে স্থবির করেছে। এ পরিস্থিতি বদলাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও করপোরেট গভর্ন্যান্স জোরদারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

নারী, তরুণ উদ্যোক্তা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য অর্থায়নের সুযোগ বাড়ানোর কথাও বাজেটে বলা হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগনির্ভর ও টেকসই অর্থনৈতিক কাঠামোর দিকে এগোনোর লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়।