ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরের চার হত্যায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি মহিলা পরিষদের

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 13

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

রোববার (২৩ আগস্ট) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০) এবং তাঁদের দুই সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

সংগঠনটি বলেছে, হত্যাকাণ্ডের ধরন, ঘটনার পরিস্থিতি এবং নিহতদের সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় পরিচয়সহ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও হত্যার উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটন করে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।

বিবৃতিতে দেশে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

মহিলা পরিষদ আরও উল্লেখ করে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক স্কুলশিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। রংপুরের বর্তমান হত্যাকাণ্ডকেও প্রাথমিকভাবে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে বলে সংগঠনটি মনে করছে।

তাদের মতে, একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার পেছনে প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা গভীরভাবে তদন্ত করা জরুরি। দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে শুধু ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘটনাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং জনমনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রংপুরের চার হত্যায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি মহিলা পরিষদের

সর্বশেষ আপডেট ০৮:০৭:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে একই পরিবারের চার সদস্য হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ

রোববার (২৩ আগস্ট) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০) এবং তাঁদের দুই সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।

সংগঠনটি বলেছে, হত্যাকাণ্ডের ধরন, ঘটনার পরিস্থিতি এবং নিহতদের সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় পরিচয়সহ সব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত করতে হবে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা ও হত্যার উদ্দেশ্য উদ্‌ঘাটন করে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে।

বিবৃতিতে দেশে নারী, শিশু ও সাধারণ মানুষের হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিতেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

মহিলা পরিষদ আরও উল্লেখ করে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক স্কুলশিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় এবং তাঁর স্ত্রীকে নিজ বাসায় হত্যা করা হয়েছিল। সে সময় ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। রংপুরের বর্তমান হত্যাকাণ্ডকেও প্রাথমিকভাবে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে বলে সংগঠনটি মনে করছে।

তাদের মতে, একটি পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার পেছনে প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, তা গভীরভাবে তদন্ত করা জরুরি। দেশে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে শুধু ডাকাতির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘটনাও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং জনমনে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।