ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থানার গারদে বসে ভিডিও, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 25

ফতুল্লা মডেল থানা

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ আসামির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাদের কয়েকজনকে আজমেরী ওসমানের পক্ষে বক্তব্য দিতে এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। গ্রেপ্তারের পর থানার গারদে থাকা অবস্থায় তাদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে পলাতক শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ ব্যক্তি আজমেরী ওসমানের পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের কয়েকজনকে স্লোগান দিতেও দেখা যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এর আগে শনিবার মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে ওই ১০ জনকে আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন; আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০), ফেরদৌস (১৮), পলক (১৮), আবু বকর (১৮), তানভীর (১৮), লিমন (১৮) ও নয়ন (১৮)।

পুলিশের দাবি, সাইনবোর্ড এলাকায় সরকারবিরোধী মিছিল করে নাশকতার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে; এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভূইগড় ও সাইনবোর্ড এলাকায় পুলিশের একাধিক দল অবস্থান নেয়। মধ্যরাতে মিছিলের জন্য কয়েকজনকে জড়ো হতে দেখে পুলিশ ধাওয়া দিলে বেশির ভাগ পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

রোববার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গারদে বসে ভিডিও ধারণের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে পুলিশ সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছে। কখন বা কীভাবে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য থানার সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এদিকে থানার গারদে থাকা আসামিদের ভিডিও ধারণ ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

থানার গারদে বসে ভিডিও, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ আসামির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে তাদের কয়েকজনকে আজমেরী ওসমানের পক্ষে বক্তব্য দিতে এবং ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। গ্রেপ্তারের পর থানার গারদে থাকা অবস্থায় তাদের হাতে মোবাইল ফোন কীভাবে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে পলাতক শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিওটি প্রকাশ করা হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, ফতুল্লা থানার গারদে থাকা ১০ ব্যক্তি আজমেরী ওসমানের পক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন। তাদের কয়েকজনকে স্লোগান দিতেও দেখা যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

এর আগে শনিবার মধ্যরাতে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় মিছিলের প্রস্তুতিকালে ওই ১০ জনকে আটক করে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশ। আটক ব্যক্তিরা হলেন; আবরার আহম্মেদ (১৮), ইয়াসিন (১৮), রাব্বি (২০), শিমুল (২০), ফেরদৌস (১৮), পলক (১৮), আবু বকর (১৮), তানভীর (১৮), লিমন (১৮) ও নয়ন (১৮)।

পুলিশের দাবি, সাইনবোর্ড এলাকায় সরকারবিরোধী মিছিল করে নাশকতার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে; এমন তথ্যের ভিত্তিতে ভূইগড় ও সাইনবোর্ড এলাকায় পুলিশের একাধিক দল অবস্থান নেয়। মধ্যরাতে মিছিলের জন্য কয়েকজনকে জড়ো হতে দেখে পুলিশ ধাওয়া দিলে বেশির ভাগ পালিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

রোববার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গারদে বসে ভিডিও ধারণের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, ভিডিওটির বিষয়ে পুলিশ সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছে। কখন বা কীভাবে ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য থানার সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

এদিকে থানার গারদে থাকা আসামিদের ভিডিও ধারণ ও তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপি ও এনসিপির নেতা-কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।