ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন বছরের মধ্যে অর্গানিক মাংস রপ্তানির আশা

ববি প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 17

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত অর্গানিক মাংস আগামী তিন বছরের মধ্যে বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ রিসার্চ শোকেস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের জেনেটিক পরিবর্তন ছাড়াই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ঘাস খাইয়ে গবাদিপশু পালন করা হচ্ছে। এভাবে উৎপাদিত নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বে নিরাপদ ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বাড়ছে। গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ নেপিয়ার ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা কম খরচে উন্নত প্রাণিখাদ্য নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এর ফলে মাংস উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য দামও তুলনামূলক সহনীয় রাখা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, খরা-সহিষ্ণু ও উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন ঘাস উদ্ভাবন প্রাণিসম্পদ খাতে বড় অগ্রগতি। একই সঙ্গে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত আরও এগিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য ব্যয় কমানো গেলে মাংসের বাজারও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। এজন্য প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণা ও উন্নত প্রাণিখাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশবান্ধব মাংস উৎপাদন এবং টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। গবেষকরা জানান, উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ ঘাস উৎপাদন বৃদ্ধি ও বায়োগ্যাস প্রযুক্তির ব্যবহার প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও খামারিরা অংশ নেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিন বছরের মধ্যে অর্গানিক মাংস রপ্তানির আশা

সর্বশেষ আপডেট ১০:১২:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত অর্গানিক মাংস আগামী তিন বছরের মধ্যে বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বাংলাদেশ বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ রিসার্চ শোকেস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের জেনেটিক পরিবর্তন ছাড়াই প্রাকৃতিক ও পুষ্টিসমৃদ্ধ ঘাস খাইয়ে গবাদিপশু পালন করা হচ্ছে। এভাবে উৎপাদিত নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বে নিরাপদ ও পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাদ্যের চাহিদা বাড়ছে। গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ নেপিয়ার ঘাস উদ্ভাবন করা হয়েছে, যা কম খরচে উন্নত প্রাণিখাদ্য নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এর ফলে মাংস উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং সাধারণ মানুষের জন্য দামও তুলনামূলক সহনীয় রাখা সম্ভব হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, খরা-সহিষ্ণু ও উচ্চ পুষ্টিগুণসম্পন্ন ঘাস উদ্ভাবন প্রাণিসম্পদ খাতে বড় অগ্রগতি। একই সঙ্গে গবেষক ও বিজ্ঞানীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাত আরও এগিয়ে যেতে পারে।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, গবাদিপশুর খাদ্য ব্যয় কমানো গেলে মাংসের বাজারও স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হবে। এজন্য প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণা ও উন্নত প্রাণিখাদ্য উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সেমিনারে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশবান্ধব মাংস উৎপাদন এবং টেকসই প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন গবেষণা ও প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। গবেষকরা জানান, উন্নত খাদ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ ঘাস উৎপাদন বৃদ্ধি ও বায়োগ্যাস প্রযুক্তির ব্যবহার প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ ও খামারিরা অংশ নেন।