ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি: উত্তপ্ত মার্কিন-জার্মান সম্পর্ক

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / 31

ট্রাম্প সেনা প্রত্যাহারের হুমকি

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে চ্যান্সেলর মের্জ এই যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ভুল হিসেবে অভিহিত করলে ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প পাল্টা জবাবে ট্রাম্প জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন এবং জার্মান চ্যান্সেলরের অযোগ্যতা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জ সম্প্রতি মন্তব্য করেন যে ইরানে যুদ্ধ আমেরিকার জন্য একটি অপরিকল্পিত কৌশল এবং এর জন্য ট্রাম্প দায় এড়াতে পারেন না তিনি আরও অভিযোগ করেন যে তেহরানের শাসনব্যবস্থাকে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে এক প্রকার সম্মতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি প্রদান করেন মূলত দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উত্তাপ ছড়িয়েছে

জার্মান চ্যান্সেলরের সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প বলেন যে মের্জের উচিত নিজের ‘ভাঙাচোরা দেশ’ মেরামত করা তিনি দাবি করেন যে অভিবাসন ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে চ্যান্সেলর পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মের্জের ভূমিকাকে ‘সম্পূর্ণ অকার্যকর’ বলে তিরস্কার করেন ট্রাম্প বর্তমানে এই ব্যক্তিগত আক্রমণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি সত্ত্বেও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতারা একে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না চ্যান্সেলর মের্জ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তারা সামরিক জোট ন্যাটোকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত তবে তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের কোনো সঠিক কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে জার্মানি তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে

ইরান যুদ্ধ নিয়ে সৃষ্ট এই বিরোধের ফলে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের মিত্রদের মধ্যে ফাটল আরও স্পষ্ট হয়েছে মূলত জ্বালানি সংকট এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রশ্নে দুই নেতার ভিন্নমত এই সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে অবশেষে বলা যায় ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি: উত্তপ্ত মার্কিন-জার্মান সম্পর্ক

সর্বশেষ আপডেট ১১:৫২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে চ্যান্সেলর মের্জ এই যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় ভুল হিসেবে অভিহিত করলে ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প পাল্টা জবাবে ট্রাম্প জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছেন এবং জার্মান চ্যান্সেলরের অযোগ্যতা নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন

জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্জ সম্প্রতি মন্তব্য করেন যে ইরানে যুদ্ধ আমেরিকার জন্য একটি অপরিকল্পিত কৌশল এবং এর জন্য ট্রাম্প দায় এড়াতে পারেন না তিনি আরও অভিযোগ করেন যে তেহরানের শাসনব্যবস্থাকে পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে এক প্রকার সম্মতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের হুমকি প্রদান করেন মূলত দুই দেশের শীর্ষ নেতার এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উত্তাপ ছড়িয়েছে

জার্মান চ্যান্সেলরের সমালোচনার জবাবে ট্রাম্প বলেন যে মের্জের উচিত নিজের ‘ভাঙাচোরা দেশ’ মেরামত করা তিনি দাবি করেন যে অভিবাসন ও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে চ্যান্সেলর পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মের্জের ভূমিকাকে ‘সম্পূর্ণ অকার্যকর’ বলে তিরস্কার করেন ট্রাম্প বর্তমানে এই ব্যক্তিগত আক্রমণ দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ককে খাদের কিনারায় ঠেলে দিয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি সত্ত্বেও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতারা একে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না চ্যান্সেলর মের্জ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে তারা সামরিক জোট ন্যাটোকে শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত তবে তেহরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের কোনো সঠিক কৌশল যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে জার্মানি তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে

ইরান যুদ্ধ নিয়ে সৃষ্ট এই বিরোধের ফলে আটলান্টিক মহাসাগরের দুই পাড়ের মিত্রদের মধ্যে ফাটল আরও স্পষ্ট হয়েছে মূলত জ্বালানি সংকট এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার প্রশ্নে দুই নেতার ভিন্নমত এই সংকটকে দীর্ঘস্থায়ী করতে পারে অবশেষে বলা যায় ট্রাম্পের সেনা প্রত্যাহারের হুমকি শেষ পর্যন্ত কার্যকর হয় কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়