ট্রাম্পের ‘তিন দিনের’ ভবিষ্যদ্বাণী ঘিরে ইরানের কটাক্ষ
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
- / 25
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য এবং ইরানি তেল অবরোধ সংক্রান্ত কৌশলকে ঘিরে তেহরান থেকে এসেছে তীব্র প্রতিক্রিয়া।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটনের পদক্ষেপকে কার্যত অকার্যকর বলে মন্তব্য করেছেন এবং একই সঙ্গে বিশ্ব তেলের বাজার আরও অস্থির হয়ে উঠছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের ওপরে উঠেছে। গালিবাফের মতে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে এটি ১৪০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে—যেখানে সমস্যা মূলত নীতির চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানগত দৃষ্টিভঙ্গিতে নিহিত।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক পোস্টে গালিবাফ ট্রাম্পের পূর্বাভাসকে সরাসরি খোঁচা দেন। তিনি লেখেন, ঘোষিত তিন দিনের সময়সীমা পার হলেও ইরানের কোনো তেলকূপে কোনো ধরনের ক্ষতি হয়নি। বরং প্রয়োজন হলে এই সময় আরও বাড়িয়ে পরিস্থিতি সরাসরি দেখানোর প্রস্তাবও দেন তিনি।
এর আগে ২৬ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই ইরানের তেল অবকাঠামোতে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। সেই বক্তব্যের পর নির্ধারিত সময় পার হওয়ায় এখন বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে বিতর্ক ও ব্যঙ্গ-সমালোচনা দুটোই বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং নৌ-অবরোধের পরিস্থিতি কেবল রাজনৈতিক চাপ নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
























