ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউক্রেনে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
  • / 12

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়বার্ষিকী সামনে রেখে ইউক্রেনে দুই দিনের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। তবে কিয়েভ বলছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পৌঁছায়নি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে ৮ ও ৯ মে—এই দুই দিন ইউক্রেন ফ্রন্টে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার কথা জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মস্কো প্রতি বছরই এই সময়টায় বিজয় দিবস পালন করে থাকে, যা মূলত নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত বিজয়ের স্মারক। রাজধানীতে বড় আকারের সামরিক কুচকাওয়াজ আয়োজনও এ উপলক্ষের নিয়মিত অংশ। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার সীমিত সময়ের জন্য যুদ্ধ থামানোর এই ঘোষণা—যা প্রতীকী না কৌশলগত, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

অন্যদিকে ইউক্রেন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে তাদের কাছে কোনো সরাসরি অনুরোধ আসেনি।

তার বক্তব্যে একটি সূক্ষ্ম চাপও লক্ষ করা যায়। তিনি বলেন, কোনো উৎসবের চেয়ে মানুষের জীবন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এবং সত্যিকারের যুদ্ধবিরতি চাইলে রাশিয়ার নেতৃত্বকে আরও বাস্তব ও দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইউক্রেনে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি ঘোষণা রাশিয়ার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়বার্ষিকী সামনে রেখে ইউক্রেনে দুই দিনের জন্য সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। তবে কিয়েভ বলছে, এ বিষয়ে তাদের কাছে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পৌঁছায়নি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় উদ্‌যাপনকে কেন্দ্র করে ৮ ও ৯ মে—এই দুই দিন ইউক্রেন ফ্রন্টে ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার কথা জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

মস্কো প্রতি বছরই এই সময়টায় বিজয় দিবস পালন করে থাকে, যা মূলত নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত বিজয়ের স্মারক। রাজধানীতে বড় আকারের সামরিক কুচকাওয়াজ আয়োজনও এ উপলক্ষের নিয়মিত অংশ। সেই প্রেক্ষাপটেই এবার সীমিত সময়ের জন্য যুদ্ধ থামানোর এই ঘোষণা—যা প্রতীকী না কৌশলগত, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

অন্যদিকে ইউক্রেন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবে সাড়া দেয়নি। প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইঙ্গিত দিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে তাদের কাছে কোনো সরাসরি অনুরোধ আসেনি।

তার বক্তব্যে একটি সূক্ষ্ম চাপও লক্ষ করা যায়। তিনি বলেন, কোনো উৎসবের চেয়ে মানুষের জীবন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ—এবং সত্যিকারের যুদ্ধবিরতি চাইলে রাশিয়ার নেতৃত্বকে আরও বাস্তব ও দীর্ঘস্থায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।