ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জ্বালানি সংকট

অনলাইনে পাঠদান হবে কি হবে না, সিদ্ধান্ত আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 145

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় বাদে মহানগর এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে এবং বাকি তিন দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না; তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকেই ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। এ ছাড়া কারিগরি ও বিজ্ঞানের ব্যবহারিক ক্লাসগুলো আগের মতোই সরাসরি অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূলত পরিবহন ও বিদ্যুৎ খাতে চাপের হার কমিয়ে আনতে এই ‘হাইব্রিড’ শিক্ষা পদ্ধতির কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়।

এর আগে, করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবকালে দেশে দীর্ঘদিন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই বর্তমান সংকট মোকাবিলায় আবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পথে হাঁটছে সরকার। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা আসতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জ্বালানি সংকট

অনলাইনে পাঠদান হবে কি হবে না, সিদ্ধান্ত আজ

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আংশিক অনলাইন পাঠদান চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনা অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় বাদে মহানগর এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে এবং বাকি তিন দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার বিষয়টি সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের সশরীরে উপস্থিতি কমানোর পরিকল্পনা থাকলেও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না; তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকেই ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। এ ছাড়া কারিগরি ও বিজ্ঞানের ব্যবহারিক ক্লাসগুলো আগের মতোই সরাসরি অনুষ্ঠিত হবে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মূলত পরিবহন ও বিদ্যুৎ খাতে চাপের হার কমিয়ে আনতে এই ‘হাইব্রিড’ শিক্ষা পদ্ধতির কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়।

এর আগে, করোনা মহামারির প্রাদুর্ভাবকালে দেশে দীর্ঘদিন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালু ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই বর্তমান সংকট মোকাবিলায় আবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পথে হাঁটছে সরকার। আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা আসতে পারে।