ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাইরাল বক্তব্যের পর এএসআই ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিবেদক, হবিগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
  • / 19

ভাইরাল বক্তব্যের পর এএসআই ক্লোজড

‘ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি’; এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইলিয়াস হোসাইনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে যান এএসআই ইলিয়াস। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘুষ নেওয়া নিয়ে তাকে ওই বক্তব্য দিতে শোনা যায়। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে বক্তব্যটি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ইলিয়াস হোসাইনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যদি বলি পুলিশে চাকরি করি কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।’

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ প্রশাসন।

সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. মাফিউর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভাইরাল বক্তব্যের পর এএসআই ক্লোজড

সর্বশেষ আপডেট ১২:২১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

‘ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি’; এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইলিয়াস হোসাইনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী নোমান মিয়ার করা একটি মামলার তদন্তে যান এএসআই ইলিয়াস। সেখানে উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘুষ নেওয়া নিয়ে তাকে ওই বক্তব্য দিতে শোনা যায়। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে বক্তব্যটি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ইলিয়াস হোসাইনকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যদি বলি পুলিশে চাকরি করি কিন্তু ঘুষ খাই না, তবে কি আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব হব? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।’

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তদন্তে নামে পুলিশ প্রশাসন।

সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. মাফিউর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ হলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।