ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতি বছর ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 16

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এ অপচয় দেশের সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ইউনেপের ২০২৪ সালের ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স প্রতিবেদনে বাংলাদেশে খাদ্য অপচয়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের পরিসংখ্যানটি সামগ্রিক চিত্রের অংশ। সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করে থাকে এবং সেখান থেকে বিতরণ প্রক্রিয়ার সময় কিছু পরিমাণ ক্ষতি বা অপচয় ঘটে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক সাইলো নির্মাণ, গুদাম ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগের ফলে ধীরে ধীরে খাদ্য অপচয় কমানো সম্ভব হচ্ছে।

সরকারি পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় খাদ্যশস্যের মোট ঘাটতি বা অপচয় ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন, যা মোটের শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টন, যা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় এ খাতে ঘাটতি ও অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলেও জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রতি বছর ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হচ্ছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪০:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয় হয় বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা ইউনেপের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, এ অপচয় দেশের সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনার একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।

সোমবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবুল কালাম তার লিখিত প্রশ্নে জানতে চান, ইউনেপের ২০২৪ সালের ফুড ওয়েস্ট ইনডেক্স প্রতিবেদনে বাংলাদেশে খাদ্য অপচয়ের যে চিত্র উঠে এসেছে, তা মোকাবিলায় মন্ত্রণালয় কী পদক্ষেপ নিচ্ছে।

জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইউনেপের প্রতিবেদনে উল্লেখিত ৩৫ লাখ টন খাদ্য অপচয়ের পরিসংখ্যানটি সামগ্রিক চিত্রের অংশ। সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় খাদ্যশস্য সংগ্রহ করে গুদাম ও সাইলোতে সংরক্ষণ করে থাকে এবং সেখান থেকে বিতরণ প্রক্রিয়ার সময় কিছু পরিমাণ ক্ষতি বা অপচয় ঘটে।

তিনি আরও জানান, আধুনিক সাইলো নির্মাণ, গুদাম ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সংশ্লিষ্টদের সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ ও পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার চেষ্টা চলছে। এসব উদ্যোগের ফলে ধীরে ধীরে খাদ্য অপচয় কমানো সম্ভব হচ্ছে।

সরকারি পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় খাদ্যশস্যের মোট ঘাটতি বা অপচয় ছিল ২১ হাজার ৩২৯ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন, যা মোটের শূন্য দশমিক ৩১৬ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৩৪৭ মেট্রিক টন, যা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় এ খাতে ঘাটতি ও অপচয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলেও জানান তিনি।