ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 45

সোহেল রানা

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী ওই শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই ওই ফ্ল্যাটে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর দ্রুত তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, গত ২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি শিশু ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঈদুল আজহার ছুটির কারণে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম কিছুটা বিলম্বিত হয়। পরে ১ জুন মামলার চার্জগঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

পরদিন ২ জুন মামলার ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে নিহত শিশুর বাবা, মা, বোন ও স্বজনসহ মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

সব প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত বিচার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা ধর্ষণ মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) বেলা ১১টা ৩৭ মিনিটে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছর বয়সী ওই শিশুর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পরপরই ওই ফ্ল্যাটে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর দ্রুত তদন্ত শেষে মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, গত ২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। একই দিন মামলাটি শিশু ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঈদুল আজহার ছুটির কারণে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম কিছুটা বিলম্বিত হয়। পরে ১ জুন মামলার চার্জগঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

পরদিন ২ জুন মামলার ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে নিহত শিশুর বাবা, মা, বোন ও স্বজনসহ মোট ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ৩ জুন আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

সব প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত বিচার কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত।