ঈদের আগে ব্যাংক খোলা থাকবে রাত ১০টা পর্যন্ত
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৬:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
- / 54
আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে দেশের কয়েকটি সিটি করপোরেশনের কোরবানির পশুর হাট এলাকায় ব্যাংকিং কার্যক্রম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত এসব এলাকায় ব্যাংক, উপশাখা ও অস্থায়ী বুথ রাত পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে নগদ লেনদেন তুলনামূলকভাবে নির্বিঘ্ন থাকে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর সিটি করপোরেশনের অধীন কোরবানির পশুর হাট এলাকায় আগের দিন পর্যন্ত ব্যাংকিং সেবা সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চালু রাখতে হবে। মূল লক্ষ্য হলো হাটে আসা ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বড় পরিসরের নগদ লেনদেনকে নিরাপদ ও সহজ করা, যদিও বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু শাখায় চাপ তৈরি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ইঙ্গিত দিচ্ছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এসব হাটে ব্যাপক জনসমাগম এবং বিপুল পরিমাণ অর্থের আদান-প্রদান ঘটে। ফলে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক লেনদেন ব্যবস্থাপনায় ব্যাংকিং সহায়তা বাড়ানো জরুরি হয়ে উঠেছে। হাটসংলগ্ন শাখা, উপশাখা এবং অস্থায়ী বুথের মাধ্যমে ক্রেতা-বিক্রেতারা সহজে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন—এমন প্রত্যাশা রাখা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নির্ধারিত হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে বনরূপা আবাসিক প্রকল্পের খালি জায়গা, মিরপুর সেকশন-৬, কালশী বালুর মাঠ, ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট সংলগ্ন এলাকা, বাড্ডা থানার স্বদেশ প্রপার্টির জায়গা, পূর্ব হাজীপাড়া, উত্তরা দিয়াবাড়ি সংলগ্ন এলাকা, গাবতলী পশুর হাট, খিলক্ষেত এলাকার মস্তুল চেকপোস্ট সংলগ্ন স্থান এবং বড় বেরাইদ বসুন্ধরা গ্রুপের খালি জায়গা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের হাটগুলোর মধ্যে রয়েছে কাজলা ব্রিজ থেকে মাতুয়াইল পর্যন্ত এলাকা, গ্রীণ বনশ্রী হাউজিং সংলগ্ন স্থান, রহমতগঞ্জ ক্লাব এলাকা, পোস্তগোলা শ্মশানঘাটের পাশের নদীপাড়, খিলগাঁও রেলগেট সংলগ্ন এলাকা, শিকদার মেডিকেলের পাশে নির্ধারিত স্থান, গোলাপবাগ আউটফল স্টাফ কোয়ার্টার, আমুলিয়া মডেল টাউন, সারুলিয়া এবং সাদেক হোসেন খোকা মাঠের দক্ষিণ পাশের খালি জায়গা।
চট্টগ্রামে বিবির হাট ও সাগরিকা, খুলনায় জোড়া হাট, রাজশাহীতে সিটি হাট এবং রংপুরে লালবাগ সদর হাটে এই বিশেষ ব্যাংকিং সময়সূচি কার্যকর থাকবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, এই উদ্যোগ নগদ অর্থ ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে, তবে হাটের ভিড় ও সময়সীমার কারণে ব্যাংকগুলোকে বাড়তি প্রস্তুতি নিতে হবে।




































