গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৮:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
- / 33
জ্বালানি তেলের দাম ও উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাগুলো গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা আলাদা হারে মূল্য সমন্বয়ের কথা বললেও, সামগ্রিকভাবে খরচের চাপ সামাল দিতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এসব প্রস্তাব উঠে আসে। সেখানে দেখা যায়, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রতি ইউনিটে ২৯ পয়সা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের প্রস্তাব আরও বেশি—তারা ইউনিটপ্রতি ৫০ পয়সা বাড়াতে চায়।
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) বলছে, বর্তমান হিসাব অনুযায়ী ১ টাকা ৬১ পয়সা সমন্বয় না করলে আর্থিক ভারসাম্য রাখা কঠিন হবে। তবে পাইকারি দাম পরিবর্তিত হলে খুচরা পর্যায়ে বাড়তি চাপ আরও বাড়তে পারে বলেও তারা ইঙ্গিত দিয়েছে।
অন্যদিকে, ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ৮৬ পয়সা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে। পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের বিতরণ সংস্থাগুলোও প্রায় একই ধরনের সমন্বয়ের কথা বলেছে, যার মধ্যে নেসকো ১ টাকা ৬৬ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে।
বিইআরসি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ক্রয়ে গড় খরচ দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৫৭ পয়সা এবং বিতরণ খরচ প্রায় ৯২ পয়সা। কিন্তু খুচরা বিক্রয়মূল্য ৯ টাকা ২০ পয়সা থাকায় প্রতি ইউনিটে গড়ে ২৯ পয়সার ঘাটতি তৈরি হচ্ছে। এই ঘাটতি পূরণ করতেই নতুন দামের প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় আনা হচ্ছে।
এর আগের দিনই পিডিবির পাইকারি বিদ্যুতের দাম নিয়ে আলাদা গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
































