ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যবসায়ীরা চাইলে ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বন্ধে প্রতিরোধ করবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 19

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রাজধানীর বাজারগুলোতে চলমান ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বন্ধে ব্যবসায়ীরা চাইলে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মিরপুর-১ এলাকার শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শনের সময় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শোনার পর তিনি বলেন, এই ধরনের অনিয়ম বন্ধে শুধু কথা নয়, বাস্তব প্রতিরোধও দরকার। তার ভাষায়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাজারে চাপ বাড়ছে, অথচ অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত কম ভাড়ার দোকানও দেড় লাখ টাকায় হাতবদল হচ্ছে, যেখানে মাঝখানে প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় বলে দাবি তাদের। একই সঙ্গে তারা জানান, নীরব চাঁদাবাজির বিষয়টি থাকলেও কারা এর সঙ্গে জড়িত তা প্রকাশ করতে পারছেন না নিরাপত্তাহীনতার কারণে।

এ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে আমরা সেই উদ্যোগে পাশে থাকব।”

তিনি আরও দাবি করেন, বাজার পরিস্থিতি আগের তুলনায় আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। তার পর্যবেক্ষণে, স্বল্প আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে, আর কৃষক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মাঝখানের কিছু অসাধু চক্রের কারণে।

এ সময় তিনি বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এই অনিয়মগুলো সমাজের ভেতরেই জন্ম নিচ্ছে, বাইরে থেকে নয়। তাই সমাধানও ভেতর থেকেই খুঁজতে হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগে উঠে আসে রাজনৈতিক প্রভাব, দোকান বরাদ্দে অনিয়ম এবং অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ও। কেউ কেউ জানান, ব্যবসা চালাতে গিয়ে নিয়মিতই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে, যা অনেকটা চাপিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ধরনের চাঁদাবাজি বা চাপের সংস্কৃতি চলতে দেওয়া যায় না। তার মতে, সংসদ থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে—সব জায়গাতেই সমন্বিত অবস্থান প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সংগঠিত সচেতনতা বাড়লে দুষ্কৃতকারীদের মোকাবিলা করা সম্ভব হতে পারে, তবে সে পথ সহজ নয় এবং সময়সাপেক্ষ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ব্যবসায়ীরা চাইলে ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বন্ধে প্রতিরোধ করবে জামায়াত: ডা. শফিকুর রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২২:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

রাজধানীর বাজারগুলোতে চলমান ‘নীরব চাঁদাবাজি’ বন্ধে ব্যবসায়ীরা চাইলে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

মিরপুর-১ এলাকার শাহ আলী পাইকারি বাজার পরিদর্শনের সময় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ শোনার পর তিনি বলেন, এই ধরনের অনিয়ম বন্ধে শুধু কথা নয়, বাস্তব প্রতিরোধও দরকার। তার ভাষায়, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাজারে চাপ বাড়ছে, অথচ অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে ভয় পাচ্ছেন।

ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন, সরকার নির্ধারিত কম ভাড়ার দোকানও দেড় লাখ টাকায় হাতবদল হচ্ছে, যেখানে মাঝখানে প্রভাবশালী চক্র সক্রিয় বলে দাবি তাদের। একই সঙ্গে তারা জানান, নীরব চাঁদাবাজির বিষয়টি থাকলেও কারা এর সঙ্গে জড়িত তা প্রকাশ করতে পারছেন না নিরাপত্তাহীনতার কারণে।

এ প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হলে সবাইকে একসঙ্গে দাঁড়াতে হবে। ব্যবসায়ীরা চাইলে আমরা সেই উদ্যোগে পাশে থাকব।”

তিনি আরও দাবি করেন, বাজার পরিস্থিতি আগের তুলনায় আরও অস্থির হয়ে উঠেছে। তার পর্যবেক্ষণে, স্বল্প আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি চাপে রয়েছে, আর কৃষক ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন মাঝখানের কিছু অসাধু চক্রের কারণে।

এ সময় তিনি বাজার ব্যবস্থার দুর্বলতার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এই অনিয়মগুলো সমাজের ভেতরেই জন্ম নিচ্ছে, বাইরে থেকে নয়। তাই সমাধানও ভেতর থেকেই খুঁজতে হবে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগে উঠে আসে রাজনৈতিক প্রভাব, দোকান বরাদ্দে অনিয়ম এবং অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ও। কেউ কেউ জানান, ব্যবসা চালাতে গিয়ে নিয়মিতই অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে, যা অনেকটা চাপিয়ে দেওয়া পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই ধরনের চাঁদাবাজি বা চাপের সংস্কৃতি চলতে দেওয়া যায় না। তার মতে, সংসদ থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ে—সব জায়গাতেই সমন্বিত অবস্থান প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সংগঠিত সচেতনতা বাড়লে দুষ্কৃতকারীদের মোকাবিলা করা সম্ভব হতে পারে, তবে সে পথ সহজ নয় এবং সময়সাপেক্ষ।