ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পে স্কেল: দ্বিগুণ হতে পারে যাদের পেনশনভাতা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • / 47

বেতন–ভাতা নিয়ে পে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুবিধার সুপারিশ এসেছে।

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০ হাজার টাকার নিচে মাসিক পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন দ্বিগুণ করা হতে পারে। একই সঙ্গে বৈশাখী ভাতা, টিফিন ভাতা ও শিক্ষা ভাতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, ২০ হাজার টাকার কম পেনশনভোগীরা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারেন। ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। নতুন প্রস্তাবে সেটি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন পে স্কেল একসঙ্গে নয়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। অর্থ বিভাগের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী বাজেটে আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের চিন্তা রয়েছে। পুরো কাঠামো ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন গত জানুয়ারিতে সুপারিশ জমা দেয়। বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকেই নতুন পে স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পে স্কেল: দ্বিগুণ হতে পারে যাদের পেনশনভাতা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০২:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামোয় কম পেনশন পাওয়া অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুবিধার সুপারিশ এসেছে।

জাতীয় বেতন কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০ হাজার টাকার নিচে মাসিক পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন দ্বিগুণ করা হতে পারে। একই সঙ্গে বৈশাখী ভাতা, টিফিন ভাতা ও শিক্ষা ভাতা বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।

কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছে, ২০ হাজার টাকার কম পেনশনভোগীরা ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারেন। ২০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের জন্য ৭৫ শতাংশ এবং ৪০ হাজার টাকার বেশি পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বর্তমানে সরকারি কর্মচারীরা মূল বেতনের ২০ শতাংশ হারে বৈশাখী ভাতা পান। নতুন প্রস্তাবে সেটি বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা এবং শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়েছে।

অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন পে স্কেল একসঙ্গে নয়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। অর্থ বিভাগের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী বাজেটে আংশিক বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের চিন্তা রয়েছে। পুরো কাঠামো ২০২৮-২৯ অর্থবছরের মধ্যে কার্যকর হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন গত জানুয়ারিতে সুপারিশ জমা দেয়। বর্তমানে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট থেকেই নতুন পে স্কেলের বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে।