ই-হেলথ কার্ড চালুর পথে সরকার
- সর্বশেষ আপডেট ১০:২৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / 18
নাগরিকদের স্বাস্থ্যতথ্য একত্রিত করে সহজলভ্য করার লক্ষ্যে সরকারের ‘ই-হেলথ কার্ড’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানান, থ্যালাসেমিয়ার মতো জটিল বংশগত রক্তরোগ জনস্বাস্থ্যের জন্য দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ তৈরি করছে। রোগটি মূলত জিনগতভাবে ছড়ায়, বিশেষ করে বাবা–মা দুজনই বাহক হলে সন্তানের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে। তাই সচেতনতা, সময়মতো পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা আরও গুরুত্ব পাওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
এ বছরের থ্যালাসেমিয়া দিবসের প্রতিপাদ্য ‘আর আড়াল নয়: রোগ নির্ণয়হীনদের খুঁজে বের করি, অলক্ষ্যে থাকা রোগীদের সহায়তা করি’—এই বার্তাকেই কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি। দিবসটি মূলত রোগটি সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এবং আক্রান্তদের প্রতি দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলার একটি উপলক্ষ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি ভাষ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে বলে ধারণা করা হয়, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ঝুঁকির ইঙ্গিত দেয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
প্রস্তাবিত ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালু হলে নাগরিকরা তাদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য এক জায়গা থেকে জানতে পারবেন। চিকিৎসার সময়, গ্রাম বা শহর—যে কোনো জায়গায় রোগীর তথ্য দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে, যা চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও সমন্বিত করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতন সিদ্ধান্ত, বিশেষ করে জিনবাহক ব্যক্তিদের মধ্যে বিবাহ-সংক্রান্ত ঝুঁকি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। এ বিষয়ে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ—পেশাজীবী, গণমাধ্যম, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও নাগরিক সমাজকে সচেতনতা তৈরিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান।




































