ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সার্কুলার অর্থনীতিতেই রপ্তানির ভবিষ্যৎ: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 22

উৎপাদন খরচ কমানো থেকে শুরু করে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা—সবকিছুর কেন্দ্রেই এখন বন্দর দক্ষতা ও সার্কুলার অর্থনীতিকে দেখছে সরকার।

রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমন এক বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করেন, যেখানে প্রতিযোগিতা কেবল দামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং উৎপাদনের ধরন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা—সব মিলিয়ে একটি দেশের অবস্থান নির্ধারিত হচ্ছে। তার মতে, সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর না ঘটলে দীর্ঘমেয়াদে শিল্পখাত চাপের মুখে পড়তে পারে।

তবে এই রূপান্তর সহজ নয়—এমন আভাসও মিলেছে আলোচনায়। উদ্যোক্তারা বলেন, তৈরি পোশাক খাতে বিপুল টেক্সটাইল বর্জ্য তৈরি হলেও তা ব্যবহারের সুযোগ সীমিত। ফলে একদিকে কাঁচামালের অপচয় বাড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশগত ঝুঁকিও রয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি শিল্পের ভেতরেই এক ধরনের অদৃশ্য ব্যয় তৈরি করছে বলে তারা মনে করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাদের মতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে এই মডেল। যদিও এলডিসি উত্তরণের পর বিদ্যমান কিছু সুবিধা হারানোর ঝুঁকিও সামনে আসছে—যা সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি দরকার।

এই প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী বন্দর ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। তিনি বলেন, লজিস্টিক ব্যয় কমানো না গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে উঠবে। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো এখন শুধু অবকাঠামোগত বিষয় নয়; বরং এটি অর্থনীতির সামগ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সার্কুলার অর্থনীতিতেই রপ্তানির ভবিষ্যৎ: বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

উৎপাদন খরচ কমানো থেকে শুরু করে বৈশ্বিক বাজারে টিকে থাকা—সবকিছুর কেন্দ্রেই এখন বন্দর দক্ষতা ও সার্কুলার অর্থনীতিকে দেখছে সরকার।

রাজধানীতে আয়োজিত এক সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমন এক বাস্তবতার দিকে ইঙ্গিত করেন, যেখানে প্রতিযোগিতা কেবল দামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং উৎপাদনের ধরন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সরবরাহ ব্যবস্থার দক্ষতা—সব মিলিয়ে একটি দেশের অবস্থান নির্ধারিত হচ্ছে। তার মতে, সার্কুলার অর্থনীতিতে রূপান্তর না ঘটলে দীর্ঘমেয়াদে শিল্পখাত চাপের মুখে পড়তে পারে।

তবে এই রূপান্তর সহজ নয়—এমন আভাসও মিলেছে আলোচনায়। উদ্যোক্তারা বলেন, তৈরি পোশাক খাতে বিপুল টেক্সটাইল বর্জ্য তৈরি হলেও তা ব্যবহারের সুযোগ সীমিত। ফলে একদিকে কাঁচামালের অপচয় বাড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশগত ঝুঁকিও রয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি শিল্পের ভেতরেই এক ধরনের অদৃশ্য ব্যয় তৈরি করছে বলে তারা মনে করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকেও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাদের মতে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে এই মডেল। যদিও এলডিসি উত্তরণের পর বিদ্যমান কিছু সুবিধা হারানোর ঝুঁকিও সামনে আসছে—যা সামাল দিতে আগাম প্রস্তুতি দরকার।

এই প্রেক্ষাপটে মন্ত্রী বন্দর ব্যবস্থাপনার দিকে বিশেষভাবে নজর দেন। তিনি বলেন, লজিস্টিক ব্যয় কমানো না গেলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা কঠিন হয়ে উঠবে। তাই চট্টগ্রাম বন্দরের দক্ষতা বাড়ানো এখন শুধু অবকাঠামোগত বিষয় নয়; বরং এটি অর্থনীতির সামগ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে জড়িয়ে আছে।