ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতি ফের ৯ শতাংশ ছাড়াল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 3

মূল্যস্ফীতি

এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে, যেখানে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই দামের চাপ বেড়ে জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে যেখানে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৭১ শতাংশ, এপ্রিল শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে। অর্থাৎ এক মাসেই সামগ্রিক দামের চাপ আরও তীব্র হয়েছে।

খাদ্যপণ্যের বাজারেও স্বস্তি নেই। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৩৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ছিল ৮.২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ আরও স্পষ্ট—এই হার ৯.৫৭ শতাংশে উঠেছে, যা মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভারী। সেখানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.০৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আর শহরেও তা ৯ শতাংশের কাছাকাছি থেকে মানুষকে চাপে রেখেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিও বাজারে এই চাপকে আরও উসকে দিতে পারে। পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মূল্যস্ফীতি ফের ৯ শতাংশ ছাড়াল

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

এপ্রিল মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশের ওপরে উঠেছে, যেখানে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই খাতেই দামের চাপ বেড়ে জনজীবনে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে যেখানে মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৭১ শতাংশ, এপ্রিল শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে। অর্থাৎ এক মাসেই সামগ্রিক দামের চাপ আরও তীব্র হয়েছে।

খাদ্যপণ্যের বাজারেও স্বস্তি নেই। এপ্রিল মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৮.৩৯ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আগের মাসে ছিল ৮.২৪ শতাংশ। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ আরও স্পষ্ট—এই হার ৯.৫৭ শতাংশে উঠেছে, যা মাসের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভারী। সেখানে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.০৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, আর শহরেও তা ৯ শতাংশের কাছাকাছি থেকে মানুষকে চাপে রেখেছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিও বাজারে এই চাপকে আরও উসকে দিতে পারে। পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ার কারণে নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।