বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব যাদের জন্য জন্য সুখবর
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
- / 5
বিশ্ববাজারে জ্বালানি অস্থিরতার প্রভাবে দেশে বিদ্যুৎ খাতে নতুন করে দাম সমন্বয়ের আলোচনা শুরু হয়েছে। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য হারে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব ইতোমধ্যে পর্যালোচনায় নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ায় দেশের জ্বালানি খরচেও চাপ পড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় সামাল দিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) পাইকারি ও খুচরা উভয় পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। তবে নিম্ন আয়ের ‘লাইফলাইন’ গ্রাহকদের জন্য ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রে দাম অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ রয়েছে।
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ইতোমধ্যে প্রস্তাবগুলো যাচাইয়ের জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছে। কমিশনের মতে, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
বর্তমানে দেশে খুচরা বিদ্যুতের গড় দাম প্রতি ইউনিট ৮ টাকা ৯৫ পয়সা। পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে। এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খুচরা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১ টাকা ৩৮ পয়সা পর্যন্ত বৃদ্ধি হতে পারে।
অন্যদিকে, নর্দান ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) এবং পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ (পিজিসিবি)ও বিভিন্ন পর্যায়ে দাম ও চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব জমা দিয়েছে।
বিইআরসি চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, সব প্রস্তাব যাচাই শেষে গণশুনানির মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সাধারণত অনুমোদনের পর নতুন দাম কার্যকর হতে কয়েক মাস সময় লাগে, তাই ঈদুল আজহার আগেই পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম বলে ইঙ্গিত মিলেছে।
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩৭ শতাংশ গ্রাহকের ওপর এই সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। বাকি অংশ ‘লাইফলাইন’ ক্যাটাগরিতে থাকায় তারা আপাতত তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত থাকবেন।































