ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পেশাদারিত্বে গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধান নিহিত: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 39

গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব জোরদার করা গেলে খাতটির বহু জটিলতা নিজেই অনেকটা সরে যেতে পারে—এমন ধারণা তুলে ধরেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার সচিবালয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, সঠিক ও অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার, পাশাপাশি অপতথ্যের ঝুঁকি কমানোও জরুরি। তার কথায়, নীতিমালা এখনও অনেকটাই পুরোনো কাঠামোয় আটকে আছে, অথচ বাস্তবতা দ্রুত ডিজিটাল হয়ে উঠছে—এই ফাঁকটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

মন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, কেবল নিয়ন্ত্রণ আরোপ নয়, বরং সহায়ক ভূমিকায় থেকেই সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চায়। সেই জায়গা থেকে বিদ্যমান নীতিমালার হালনাগাদ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

আলোচনায় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে। সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো দাঁড় করানোর কথা বলেন তিনি, যদিও এর জন্য অংশীজনদের মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্য অপরিহার্য—এ বিষয়টি তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেন।

বিজেসির পক্ষ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নানা কাঠামোগত সংকট নিয়ে কথা বলা হয়। মন্ত্রী এসব প্রস্তাব গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেন, যদিও বাস্তবায়নের পথ কতটা মসৃণ হবে, সেটি এখনো কিছুটা খোলা প্রশ্ন হিসেবেই রয়ে যায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পেশাদারিত্বে গণমাধ্যমের সমস্যার সমাধান নিহিত: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

গণমাধ্যমে পেশাদারিত্ব জোরদার করা গেলে খাতটির বহু জটিলতা নিজেই অনেকটা সরে যেতে পারে—এমন ধারণা তুলে ধরেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

বুধবার সচিবালয়ে ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, সঠিক ও অবাধ তথ্যপ্রবাহ নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার, পাশাপাশি অপতথ্যের ঝুঁকি কমানোও জরুরি। তার কথায়, নীতিমালা এখনও অনেকটাই পুরোনো কাঠামোয় আটকে আছে, অথচ বাস্তবতা দ্রুত ডিজিটাল হয়ে উঠছে—এই ফাঁকটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

মন্ত্রী ইঙ্গিত দেন, কেবল নিয়ন্ত্রণ আরোপ নয়, বরং সহায়ক ভূমিকায় থেকেই সরকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে চায়। সেই জায়গা থেকে বিদ্যমান নীতিমালার হালনাগাদ প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

আলোচনায় গণমাধ্যম কমিশন গঠনের পরিকল্পনার কথাও উঠে আসে। সংশ্লিষ্টদের মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো দাঁড় করানোর কথা বলেন তিনি, যদিও এর জন্য অংশীজনদের মধ্যে ন্যূনতম ঐকমত্য অপরিহার্য—এ বিষয়টি তিনি আলাদা করে উল্লেখ করেন।

বিজেসির পক্ষ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নানা কাঠামোগত সংকট নিয়ে কথা বলা হয়। মন্ত্রী এসব প্রস্তাব গুরুত্ব দিয়ে দেখার আশ্বাস দেন, যদিও বাস্তবায়নের পথ কতটা মসৃণ হবে, সেটি এখনো কিছুটা খোলা প্রশ্ন হিসেবেই রয়ে যায়।