অর্থনীতি বেহাল করেছে আ. লীগ সরকার: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / 29
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান দাবি করেছেন, বিগত সরকার দুর্নীতি করে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেহাল করে দিয়ে গেছে। মূলত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পর বর্তমান সরকার শূন্য হাতে দায়িত্ব বুঝে পেয়েছে। বর্তমানে কৃচ্ছ্রতা সাধনের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করার চেষ্টা চলছে। ফলে আগামী পাঁচ বছরে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলের সখীপুরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বিগত সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি জানান, দুর্নীতি করে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নড়বড়ে অবস্থায় ফেলে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তারেক রহমানের নির্দেশনায় সরকার কৃচ্ছ্রতা সাধনের নীতি গ্রহণ করেছে। এমনকি মন্ত্রণালয়ে এসি ও ফ্যান ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে। ফলে সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, দেশকে একটি পর্যায়ে তুলে আনার জন্য সরকার কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। বর্তমানে জনগণের সহযোগিতায় সব বাধা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে। এছাড়া দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। ফলে সীমিত আয় ও সম্পদ ব্যবহার করেই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে আউশ ধান আবাদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ খাতে ডেইরি উন্নয়নে খামারিদের উপকরণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মূলত কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতকে শক্তিশালী করাই সরকারের উদ্দেশ্য। বর্তমানে প্রান্তিক খামারিদের দক্ষতা বৃদ্ধি পেলে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী হবে। ফলে স্থানীয় উৎপাদনশীলতা বাড়বে।
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মূলত সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে দেশের প্রতিটি খাতেই স্থিতিশীলতা প্রয়োজন। অবশেষে বলা যায়, সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি উন্নত করতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এছাড়া উন্নয়নের এই যাত্রায় সবার অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করেছেন মন্ত্রী।































