ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোসেনপুরে চুরির মামলায় খাইরুল ফকির গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
  • / 274

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে চুরি মারামারি ও হত্যা চেষ্টার মামলায় খাইরুল ফকির (৪১) পিতা অজ্ঞাত কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) হোসেনপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে ২৪ জুলাই মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (২৬), এন আইডি-৪৬৫৮৬৫৯৫৩৯, পিতা মৃত মামি ওরফে সানি, সাং-ভূইগড় সাইনবোর্ড, থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জ বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯ ধারা-১৪৩/৩৪২/৩০৭/৩২৩/৩২৫/৩৭৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু করা হয়।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, মোঃ তুষার (১৮), পিতা- রফিকুল ইসলাম, মোছাঃ নুরুন্নাহার ওরফে ময়না (৩০), পিতা- মোঃ রশিদ মিয়া, রফিকুল ইসলাম (৪২), পিতা- অজ্ঞাত, মোঃ রশিদ মিয়া (৫০) পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং গোবিন্দপুর চৌরাস্তা মাসুদ মেম্বারের বাড়ির পার্শ্বে, থানা- হোসেনপুর, জেলা- কিশোরগঞ্জ। মামলার বিবরণে ও বাদী সাজ্জাদ হোসেনের তথ্যমতে জানা গেছে, ১ নং বিবাদী তুষার মিয়া ও ২ নং বিবাদী নুরুন্নাহার ওরফে ময়না বাদীর গেঞ্জির কারখানায় চাকুরী করার সুবাদে তারা বাদীর বাসায় যাওয়া-আসা করিত। গত (১৩ জুলাই) সকাল অনুমানিক ০৯.৪৭ ঘটিকায় সময় বাদীর বাসা থেকে ২,২০,০০০ টাকা এবং ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ১ নং সাক্ষী লিমন মিয়া (১৭) সহ বাদী সাজ্জাদ হোসেন বিবাদীদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার গোবিন্দপুরে এসে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে গ্রেফতারকৃত খাইরুল ফকিরসহ সকল বিবাদীরা বাদী ও সাক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর আহত করে। গ্রেফতারকৃত ৪ নং আসামি খাইরুল ফকির বাদীর ১৬০০০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিভো মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

বিবাদীরা রাত আনুমানিক ১১.৩০ পর্যন্ত বাদীকে আটক রাখিয়া রাত গভীর হলে একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি যোগে বাদী ও তার ভাই মামলার ১ নং সাক্ষীকে কিশোরগঞ্জ নীলগঞ্জ এলাকায় অর্ধঅচেতন অবস্থা করিয়া ফেলিয়া চলিয়া যায়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, আজ (২৭ জুলাই) গ্রেফতারকৃত আসামি খাইরুল কে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হোসেনপুরে চুরির মামলায় খাইরুল ফকির গ্রেফতার

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে চুরি মারামারি ও হত্যা চেষ্টার মামলায় খাইরুল ফকির (৪১) পিতা অজ্ঞাত কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিবার (২৬ জুলাই) হোসেনপুর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

এর আগে ২৪ জুলাই মোঃ সাজ্জাদ হোসেন (২৬), এন আইডি-৪৬৫৮৬৫৯৫৩৯, পিতা মৃত মামি ওরফে সানি, সাং-ভূইগড় সাইনবোর্ড, থানা- ফতুল্লা, জেলা- নারায়ণগঞ্জ বাদী হয়ে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-১৯ ধারা-১৪৩/৩৪২/৩০৭/৩২৩/৩২৫/৩৭৯/১১৪/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু করা হয়।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, মোঃ তুষার (১৮), পিতা- রফিকুল ইসলাম, মোছাঃ নুরুন্নাহার ওরফে ময়না (৩০), পিতা- মোঃ রশিদ মিয়া, রফিকুল ইসলাম (৪২), পিতা- অজ্ঞাত, মোঃ রশিদ মিয়া (৫০) পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং গোবিন্দপুর চৌরাস্তা মাসুদ মেম্বারের বাড়ির পার্শ্বে, থানা- হোসেনপুর, জেলা- কিশোরগঞ্জ। মামলার বিবরণে ও বাদী সাজ্জাদ হোসেনের তথ্যমতে জানা গেছে, ১ নং বিবাদী তুষার মিয়া ও ২ নং বিবাদী নুরুন্নাহার ওরফে ময়না বাদীর গেঞ্জির কারখানায় চাকুরী করার সুবাদে তারা বাদীর বাসায় যাওয়া-আসা করিত। গত (১৩ জুলাই) সকাল অনুমানিক ০৯.৪৭ ঘটিকায় সময় বাদীর বাসা থেকে ২,২০,০০০ টাকা এবং ২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার চুরি করে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় সাজ্জাদ হোসেন বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

পরবর্তীতে ১ নং সাক্ষী লিমন মিয়া (১৭) সহ বাদী সাজ্জাদ হোসেন বিবাদীদের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর থানার গোবিন্দপুরে এসে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ফেরত চাইলে গ্রেফতারকৃত খাইরুল ফকিরসহ সকল বিবাদীরা বাদী ও সাক্ষীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুরুতর আহত করে। গ্রেফতারকৃত ৪ নং আসামি খাইরুল ফকির বাদীর ১৬০০০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বিভো মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।

বিবাদীরা রাত আনুমানিক ১১.৩০ পর্যন্ত বাদীকে আটক রাখিয়া রাত গভীর হলে একটি অজ্ঞাতনামা সিএনজি যোগে বাদী ও তার ভাই মামলার ১ নং সাক্ষীকে কিশোরগঞ্জ নীলগঞ্জ এলাকায় অর্ধঅচেতন অবস্থা করিয়া ফেলিয়া চলিয়া যায়।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, আজ (২৭ জুলাই) গ্রেফতারকৃত আসামি খাইরুল কে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।