মানিকগঞ্জে পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি, কথিত সোর্স আটক
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৫০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
- / 151
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পুলিশ পরিচয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহীকে থামিয়ে টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আলমগীর নামে এক যুবককে স্থানীয়রা আটক করেছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে হরিরামপুর থানার এএসআই সোহেল রানাকে ক্লোজড করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বলড়া ইউনিয়নের পিপুলিয়া কালভার্টসংলগ্ন দানিস্তপুর সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী বলড়া গ্রামের তায়েফ জানান, তিনি আরও দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে উপজেলা সদরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে দুজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাদের গতিরোধ করেন। তারা মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে নেন এবং সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। পরে তাদের কাছে অবৈধ কোনো কিছু আছে কি না, তা যাচাইয়ের কথা বলে পোশাক খুলে তল্লাশি করা হয়।
তায়েফের অভিযোগ, তল্লাশিতে বাধা দিলে ওই দুই ব্যক্তি তাদের মারধর করেন। পরে পথচারীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা মোবাইল ফোন ফেরত দিলেও নগদ টাকা নিয়ে চলে যান।
ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ভুক্তভোগীরা তাদের পিছু নেন। একপর্যায়ে হরুকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তাদের দেখা যায়। সেখানে কর্মকারকান্দি বয়ড়া গ্রামের আলমগীরের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি নিজেকে হরিরামপুর থানার এএসআই সোহেল রানার সহযোগী হিসেবে পরিচয় দেন। এ সময় স্থানীয়রা আলমগীরকে আটক করলেও তার সঙ্গে থাকা এএসআই সোহেল রানা সেখান থেকে পালিয়ে যান।
পুলিশ জানায়, আলমগীর ওই এএসআইয়ের সোর্স হিসেবে কাজ করতেন।
হরিরামপুর থানার ওসি মুহাম্মদ আফজাল হোসাইন বলেন, বলড়া এলাকায় একজনকে আটক করে মারধরের খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে জানা যায়, আটক ব্যক্তি এএসআই সোহেল রানার সোর্স এবং ঘটনার সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।
ওসি আরও জানান, অভিযানের বিষয়ে এএসআই সোহেল রানা থানায় কোনো ধরনের তথ্য দেননি। এ কারণে তাকে ক্লোজড করা হয়েছে। অন্যদিকে আলমগীরের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাকে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।































