ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি: তথ্য উপদেষ্টা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:০২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 15

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান

বিদ্যুৎ খাতে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হলেও দেশের মোট গ্রাহকের একটি বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ৬৫ শতাংশ ‘লাইফ লাইন’ বা নিম্ন-ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর কোনো বাড়তি চাপ পড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে তথ্য অধিদপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আয়োজিত এক জরুরী প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন। তথ্য উপদেষ্টা জানান, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী এই প্রান্তিক গ্রাহক শ্রেণির বিদ্যুতের দাম সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে মূল্য সমন্বয়ের পরেও সাধারণ ও স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় কোনো অতিরিক্ত আর্থিক প্রভাব পড়বে না।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা দেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান আর্থিক বাস্তবতা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ খাতে ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করতে আসন্ন বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই বিশাল ভর্তুকির বোঝা দীর্ঘ মেয়াদে কমিয়ে বিদ্যুৎ খাতকে একটি টেকসই ও স্বাবলম্বী কাঠামোতে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই মূলত সরকার এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেও প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর পক্ষ থেকে নিম্ন-ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ক্ষেত্রে দাম না বাড়ানো অথবা সহনীয় পর্যায়ে রাখার যে লিখিত সুপারিশ ছিল, তা পুরোপুরি বিবেচনায় নিয়েই নতুন এই মূল্য কাঠামো কার্যকর করা হচ্ছে। বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে হলেও সরকার এই নতুন বিদ্যুৎ মূল্যতালিকা বাস্তবায়নের পথে যাচ্ছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও কৃষিকাজের কথা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পণ্য ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসাধারণের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর মধ্যে একটি সমন্বিত অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিদ্যুৎ খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি: তথ্য উপদেষ্টা

সর্বশেষ আপডেট ০১:০২:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

বিদ্যুৎ খাতে নতুন করে মূল্য সমন্বয় করা হলেও দেশের মোট গ্রাহকের একটি বড় অংশ অর্থাৎ প্রায় ৬৫ শতাংশ ‘লাইফ লাইন’ বা নিম্ন-ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর কোনো বাড়তি চাপ পড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে তথ্য অধিদপ্তরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আয়োজিত এক জরুরী প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেন। তথ্য উপদেষ্টা জানান, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী এই প্রান্তিক গ্রাহক শ্রেণির বিদ্যুতের দাম সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে মূল্য সমন্বয়ের পরেও সাধারণ ও স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনযাত্রায় কোনো অতিরিক্ত আর্থিক প্রভাব পড়বে না।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য উপদেষ্টা দেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান আর্থিক বাস্তবতা এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ খাতে ব্যয়ের ভারসাম্য রক্ষা করতে আসন্ন বাজেটে বিদ্যুৎ খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই বিশাল ভর্তুকির বোঝা দীর্ঘ মেয়াদে কমিয়ে বিদ্যুৎ খাতকে একটি টেকসই ও স্বাবলম্বী কাঠামোতে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যেই মূলত সরকার এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তবে এই প্রক্রিয়ার মধ্যেও প্রান্তিক ও স্বল্প আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন রয়েছে বলে তিনি জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)-এর পক্ষ থেকে নিম্ন-ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ক্ষেত্রে দাম না বাড়ানো অথবা সহনীয় পর্যায়ে রাখার যে লিখিত সুপারিশ ছিল, তা পুরোপুরি বিবেচনায় নিয়েই নতুন এই মূল্য কাঠামো কার্যকর করা হচ্ছে। বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দিয়ে হলেও সরকার এই নতুন বিদ্যুৎ মূল্যতালিকা বাস্তবায়নের পথে যাচ্ছে। অন্যদিকে, সাধারণ মানুষের যাতায়াত ও কৃষিকাজের কথা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পণ্য ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আর্থিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জনসাধারণের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমানোর মধ্যে একটি সমন্বিত অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।