বুধবার (১১ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য আইনের ৩০১ ধারা অনুযায়ী এই তদন্ত শুরু হয়েছে। এর ভিত্তিতে চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও মেক্সিকোর মতো দেশের ওপর চলতি গ্রীষ্মের মধ্যেই নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাতিল করার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তদন্তে যদি কোনো দেশের বিরুদ্ধে অন্যায্য বাণিজ্যচর্চার প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সেই দেশের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র আমদানি শুল্ক আরোপ করতে পারবে।
জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প যে অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করেছিলেন, তা জুলাই মাসে শেষ হওয়ার কথা। এর আগেই এই বাণিজ্য তদন্ত শেষ করার আশা করা হচ্ছে।
তদন্তের আওতায় বাংলাদেশ ছাড়াও ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, সুইজারল্যান্ড ও নরওয়ের নাম রয়েছে।
গত বছরের এপ্রিল মাসে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় সব দেশের পণ্যের ওপর ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে। সেই চুক্তিতে শুল্কের হার কিছুটা কমানোসহ বাণিজ্যসংক্রান্ত বিভিন্ন শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের সাম্প্রতিক রায়ের পর এসব চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, শুল্কের বিষয়ে পরিবর্তন এলেও বাণিজ্য চুক্তিগুলো বাতিল করা হচ্ছে না এবং চুক্তির শর্তগুলো মানা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।






























