ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফ্রান্সে বিক্ষোভের দায় ইসলামের ওপর চাপালেন ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 22

ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক শিক্ষার্থী বিক্ষোভকে দেশটির ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন’ এবং ইসলামের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে এর কোনোটিই উন্নত স্কুল-পরিস্থিতির দাবিতে বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানান তিনি।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে বলেন, ফ্রান্সে যা ঘটছে, তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি স্কুল নিয়ে নয়, এটি ইসলাম একসময়ের মহান একটি দেশকে দখল করে নিতে চাইছে!”

কিন্তু অভিবাসন বা ধর্ম; কোনোটিই বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটায়নি। গত সপ্তাহে স্কুলের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়, যার মধ্যে ছিল কর্মীসংকট, জরাজীর্ণ ভবন এবং অতিরিক্ত ভিড়ের শ্রেণিকক্ষ।

বিক্ষোভ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এগুলো মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একজন স্কুলছাত্রের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং আরেকজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এতে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নেন।

আগামী মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্বর্তী নির্বাচন। তার আগে নিজেদের অভিবাসনবিরোধী এবং আগ্রাসী বহিষ্কার নীতির পক্ষে জনমত তৈরি করতে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ফ্রান্সে বিক্ষোভের দায় ইসলামের ওপর চাপালেন ট্রাম্প!

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার ফ্রান্সজুড়ে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক শিক্ষার্থী বিক্ষোভকে দেশটির ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন’ এবং ইসলামের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে এর কোনোটিই উন্নত স্কুল-পরিস্থিতির দাবিতে বিক্ষোভকারীদের দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে জানান তিনি।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে বলেন, ফ্রান্সে যা ঘটছে, তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া ব্যাপক অভিবাসন ছাড়া আর কিছুই নয়। এটি স্কুল নিয়ে নয়, এটি ইসলাম একসময়ের মহান একটি দেশকে দখল করে নিতে চাইছে!”

কিন্তু অভিবাসন বা ধর্ম; কোনোটিই বিক্ষোভের সূত্রপাত ঘটায়নি। গত সপ্তাহে স্কুলের বিভিন্ন পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়, যার মধ্যে ছিল কর্মীসংকট, জরাজীর্ণ ভবন এবং অতিরিক্ত ভিড়ের শ্রেণিকক্ষ।

বিক্ষোভ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এগুলো মোটের ওপর শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেশ কয়েকটি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। একজন স্কুলছাত্রের একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং আরেকজন দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছে। এতে পুলিশের অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু বিক্ষোভ মোকাবিলায় পুলিশের ভূমিকার পক্ষে অবস্থান নেন।

আগামী মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে অন্তর্বর্তী নির্বাচন। তার আগে নিজেদের অভিবাসনবিরোধী এবং আগ্রাসী বহিষ্কার নীতির পক্ষে জনমত তৈরি করতে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করলেন বলে মনে করা হচ্ছে।