ঢাকা ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশ সংস্কারে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 166

জাপানের রাষ্ট্রদূত সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন

পুলিশ বাহিনীর সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রদূতও তাকে অভিনন্দন জানান। আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর আলোচনা গড়ায় মূল প্রসঙ্গে—পুলিশ সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু এবং অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা—জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ একাধিক বড় অবকাঠামো প্রকল্পে দেশটি বিনিয়োগ করেছে।

সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নেও জাপানের সম্পৃক্ততা ফলপ্রসূ হতে পারে বলে তিনি মত দেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক নিরাপত্তা নিয়ে জাপান আগে কাজ করেছে। সেই অভিজ্ঞতা সামনে রেখে ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেন, ডিএমপির ট্রাফিক সেফটি প্রকল্পটি গত বছর শেষ হয়েছে। ভবিষ্যতেও পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে কাজ করতে জাপান আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বসবাসরত জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রস্তুত। জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কোমিনি কেন এবং প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মোচিডা ইউতারু উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পুলিশ সংস্কারে জাপানের সহযোগিতা চায় সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৯:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

পুলিশ বাহিনীর সংস্কার ও পুনর্গঠনে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তার কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।

বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রদূতও তাকে অভিনন্দন জানান। আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পর আলোচনা গড়ায় মূল প্রসঙ্গে—পুলিশ সংস্কার, আইনশৃঙ্খলা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাপান বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু এবং অন্যতম বড় উন্নয়ন অংশীদার।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা—জাইকার মাধ্যমে মেট্রোরেল ও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণসহ একাধিক বড় অবকাঠামো প্রকল্পে দেশটি বিনিয়োগ করেছে।

সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নেও জাপানের সম্পৃক্ততা ফলপ্রসূ হতে পারে বলে তিনি মত দেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক নিরাপত্তা নিয়ে জাপান আগে কাজ করেছে। সেই অভিজ্ঞতা সামনে রেখে ভবিষ্যতে পুলিশ সংস্কার ও পুনর্গঠনের ক্ষেত্রেও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি বলেন, ডিএমপির ট্রাফিক সেফটি প্রকল্পটি গত বছর শেষ হয়েছে। ভবিষ্যতেও পুলিশ ও ডিএমপির সঙ্গে কাজ করতে জাপান আগ্রহী।

চলতি বছর হলি আর্টিজান হামলার দশ বছর পূর্তি হবে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে অবস্থানরত জাপানি নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বসবাসরত জাপানি বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ীসহ সব নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রস্তুত। জাপানের পক্ষ থেকে যেকোনো অনুরোধ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ অধিশাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, জাপান দূতাবাসের প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) কোমিনি কেন এবং প্রথম সচিব (ইকোনমিক) মোচিডা ইউতারু উপস্থিত ছিলেন।