ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুরবানির হাটে চাঁদাবাজি ঠেকাতে কঠোর সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 15

স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন কুরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুরবানির পশু পরিবহনের সময় সড়কপথে যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। পশু আনা-নেয়ার পথে কোথাও অনিয়ম বা হয়রানির ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কুরবানিকে সামনে রেখে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রেললাইন ও সড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না। পশু পরিবহনের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন বা যানজট সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

মীর শাহে আলম জানান, পশুর হাটগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি হাট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার জন্য ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলও কাজ করবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং প্রশাসন ও ইজারাদারদের সমন্বয়ে হাট ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা হবে। এছাড়া হাট এলাকায় ওয়াচটাওয়ার স্থাপন এবং জাল টাকা প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুরবানির হাটে চাঁদাবাজি ঠেকাতে কঠোর সরকার

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

আসন্ন কুরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাস্ত করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। বুধবার (৬ মে) সকালে রাজধানীর গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কুরবানির পশু পরিবহনের সময় সড়কপথে যাতে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে। পশু আনা-নেয়ার পথে কোথাও অনিয়ম বা হয়রানির ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, কুরবানিকে সামনে রেখে যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ করে রেললাইন ও সড়কের পাশে কোনো পশুর হাট বসতে দেয়া হবে না। পশু পরিবহনের কারণে সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন বা যানজট সৃষ্টি না হয়, সেদিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

মীর শাহে আলম জানান, পশুর হাটগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি হাট ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার জন্য ইজারাদারদের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক দলও কাজ করবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মহল থেকে পাওয়া সুপারিশ বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং প্রশাসন ও ইজারাদারদের সমন্বয়ে হাট ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা হবে। এছাড়া হাট এলাকায় ওয়াচটাওয়ার স্থাপন এবং জাল টাকা প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থাও রাখা হবে।