অস্ত্র মজুদ ফুরিয়েছে মার্কিনীদের
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩০:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
- / 48
ইরান যুদ্ধ গিয়ে অস্ত্র সংকটে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ভাণ্ডারে চাপ বাড়ায় অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে পেন্টাগন।
ইউক্রেন ও ইরান সংশ্লিষ্ট সংঘাতের প্রেক্ষাপটে দ্রুত বিকল্প উৎপাদন সক্ষমতা খোঁজা হচ্ছে।
ইউক্রেন ও ইরানকে ঘিরে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুত কমে আসায় নতুন কৌশল নিচ্ছে দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।
প্রচলিত প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের পাশাপাশি এবার ফোর্ড ও জেনারেল মোটরস (জিএম)-এর মতো বড় অটোমোবাইল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে অস্ত্র উৎপাদন নিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যমান সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ বাড়তে থাকায় বিকল্প শিল্পখাতকে যুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সংঘাতগুলোর কারণে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত পূরণের পথ খুঁজছে পেন্টাগন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষদিকে ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা তীব্র হওয়ার আগেই এই আলোচনা শুরু হয়েছিল। মূল প্রশ্ন এখন—গাড়ি নির্মাতারা কত দ্রুত তাদের উৎপাদন লাইন বদলে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরিতে যেতে পারবে। কারণ, বর্তমান চাহিদা মেটাতে প্রচলিত সরবরাহকারীরা স্পষ্টতই চাপে রয়েছে।
এ ধরনের উদ্যোগ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একেবারে নতুন নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ও গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সামরিক উৎপাদনে যুক্ত হয়ে ট্রাক, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম তৈরি করেছিল। সেই অভিজ্ঞতার দিকেই আবার নজর দিচ্ছে পেন্টাগন—যদিও বর্তমান বাস্তবতায় তা কতটা দ্রুত বাস্তবায়ন সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দুই ভিন্ন ফ্রন্টে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তার চাপ বাড়ায় উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো এখন জরুরি হয়ে উঠেছে। তবে গাড়ি কারখানাকে অস্ত্র উৎপাদনের উপযোগী করে তুলতে প্রযুক্তিগত ও কাঠামোগত পরিবর্তন কতটা সময় নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এ বিষয়ে পেন্টাগন বা সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।




































