ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 47

ইরানের সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিটের প্রধান আলী আব্দুল্লাহি

কোনো শত্রুপক্ষ ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিটের প্রধান আলী আব্দুল্লাহি। সোমবার (১৮ মে) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যেকোনো দেশের আগ্রাসী হাত ভেঙে দিতে ইরানি বাহিনী এখন ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রস্তুত। ওয়াশিংটনের সাথে শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ার পর তিনি স্পষ্ট জানান, আমেরিকা বা তাদের মিত্ররা কোনো ভুল হিসাব করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ এবং দ্রুত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ও হামলা স্থগিতের বিবৃতির পর তেহরানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর সামরিক বার্তা দেওয়া হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে যে, তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। মূলত আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের পক্ষ থেকে আসার পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ আবার নতুন মোড় নিয়েছে। আলী আব্দুল্লাহি মার্কিন জোটকে সতর্ক করে কোনো ধরনের কৌশলগত ভুল না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

৪০ দিনের সংঘাত ও সামরিক সক্ষমতা: ইরানি কমান্ডার দাবি করেন, পশ্চিমা ও জায়নিস্ট শত্রুরা বারবার তাদের সাহস পরীক্ষা করে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের এই বার্তার সাথে তিনি যোগ করেন, শত্রুরা আবার ভুল করলে বিগত ৪০ দিনের যুদ্ধের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে। ইরান আঞ্চলিক শান্তি চাইলেও নিজেদের জনগণের সুরক্ষায় এবং বিদেশি হস্তক্ষেপ রুখতে তাদের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পূর্বের যুদ্ধ ও থমকে যাওয়া আলোচনা: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিদিন পাল্টা হামলা চালিয়েছিল তেহরান। বর্তমানে আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের এই অনড় অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে কূটনৈতিক ব্যর্থতা। গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও ইসলামাবাদের টেবিলে ওয়াশিংটনের কঠোর শর্তের কারণে চুক্তিটি আলোর মুখ দেখেনি। পরিশেষে বলা যায়, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকির পর ইরানের এই নতুন হুংকার বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩৬:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

কোনো শত্রুপক্ষ ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ অপারেশনাল কমান্ড ইউনিটের প্রধান আলী আব্দুল্লাহি। সোমবার (১৮ মে) রাতে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, যেকোনো দেশের আগ্রাসী হাত ভেঙে দিতে ইরানি বাহিনী এখন ইতিহাসের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রস্তুত। ওয়াশিংটনের সাথে শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ার পর তিনি স্পষ্ট জানান, আমেরিকা বা তাদের মিত্ররা কোনো ভুল হিসাব করলে তার পরিণতি হবে ভয়াবহ এবং দ্রুত।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ও হামলা স্থগিতের বিবৃতির পর তেহরানের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কঠোর সামরিক বার্তা দেওয়া হয়েছে। দেশটির শীর্ষ সামরিক নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে যে, তারা যেকোনো মূল্যে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। মূলত আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের পক্ষ থেকে আসার পর মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ আবার নতুন মোড় নিয়েছে। আলী আব্দুল্লাহি মার্কিন জোটকে সতর্ক করে কোনো ধরনের কৌশলগত ভুল না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

৪০ দিনের সংঘাত ও সামরিক সক্ষমতা: ইরানি কমান্ডার দাবি করেন, পশ্চিমা ও জায়নিস্ট শত্রুরা বারবার তাদের সাহস পরীক্ষা করে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের এই বার্তার সাথে তিনি যোগ করেন, শত্রুরা আবার ভুল করলে বিগত ৪০ দিনের যুদ্ধের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে। ইরান আঞ্চলিক শান্তি চাইলেও নিজেদের জনগণের সুরক্ষায় এবং বিদেশি হস্তক্ষেপ রুখতে তাদের আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

পূর্বের যুদ্ধ ও থমকে যাওয়া আলোচনা: গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে প্রতিদিন পাল্টা হামলা চালিয়েছিল তেহরান। বর্তমানে আগ্রাসনের চেষ্টা করলে হাত ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের এই অনড় অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে কূটনৈতিক ব্যর্থতা। গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি হলেও ইসলামাবাদের টেবিলে ওয়াশিংটনের কঠোর শর্তের কারণে চুক্তিটি আলোর মুখ দেখেনি। পরিশেষে বলা যায়, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকির পর ইরানের এই নতুন হুংকার বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।