ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিক্ষাখাতে প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 32

শিক্ষামন্ত্রী

‘শিক্ষা, শিক্ষা এবং শিক্ষা’—প্রধানমন্ত্রীর এই তিন মূল মন্ত্রকে ভিত্তি করে দেশের শিক্ষা খাত এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (১৩ মে) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার তাত্ত্বিক শিক্ষার চেয়ে উৎপাদনশীল মানবসম্পদ তৈরিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একইসাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রসারেও কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। মূলত শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। অনুষ্ঠানে ৬০০ কিলোওয়াট সক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, এখনকার শিক্ষা কেবল সার্টিফিকেট অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র অনুসরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও উৎপাদনশীল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডের সঙ্গে কলেজের এই চুক্তিটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে একটি বড় ধাপ। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেমন আধুনিক হবে, তেমনি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহারেও উৎসাহিত হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে। বর্তমানে শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক ল্যাব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। পরিশেষে বলা যায়, সরকারের এই সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিক্ষাখাতে প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র: শিক্ষামন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

‘শিক্ষা, শিক্ষা এবং শিক্ষা’—প্রধানমন্ত্রীর এই তিন মূল মন্ত্রকে ভিত্তি করে দেশের শিক্ষা খাত এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। বুধবার (১৩ মে) ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার তাত্ত্বিক শিক্ষার চেয়ে উৎপাদনশীল মানবসম্পদ তৈরিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। একইসাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের প্রসারেও কাজ করছে মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিশ্বমানের শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। মূলত শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক ও দক্ষ জাতি হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া চলছে। অনুষ্ঠানে ৬০০ কিলোওয়াট সক্ষমতার একটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, এখনকার শিক্ষা কেবল সার্টিফিকেট অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বর্তমানে শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র অনুসরণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী ও উৎপাদনশীল হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ওমেরা রিনিউয়েবল এনার্জি লিমিটেডের সঙ্গে কলেজের এই চুক্তিটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে একটি বড় ধাপ। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যেমন আধুনিক হবে, তেমনি পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহারেও উৎসাহিত হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার প্রসারে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে। বর্তমানে শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর তিন মূল মন্ত্র প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আধুনিক ল্যাব ও জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, এই ধরনের পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবনী চিন্তা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করবে। পরিশেষে বলা যায়, সরকারের এই সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করবে।