ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 28

পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন খাতে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে কৃষি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকগুলো গুরুত্ব পায়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, উন্নয়ন অংশীদারত্বকে কার্যকর করতে হলে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বিশেষভাবে কৃষি খাতকে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার বিষয়েও গভীরতর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতায় ঢাকা ও ওয়াশিংটন নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে এগোচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো ও গ্রামীণ যোগাযোগ খাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা এবং বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট উন্নয়ন খাতে আরও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে কৃষি ও জ্বালানি ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, উন্নয়ন অগ্রাধিকার এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকগুলো গুরুত্ব পায়।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, উন্নয়ন অংশীদারত্বকে কার্যকর করতে হলে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতে আরও সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক উদ্যোগ প্রয়োজন।

তিনি বিশেষভাবে কৃষি খাতকে সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সহায়তার বিষয়েও গভীরতর অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

বৈঠকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, উন্নয়ন সহযোগিতায় ঢাকা ও ওয়াশিংটন নতুন দিগন্ত উন্মোচনের পথে এগোচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে পানি সরবরাহ, কৃষি, অবকাঠামো ও গ্রামীণ যোগাযোগ খাতে প্রযুক্তিগত সহায়তা, গবেষণা এবং বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে তিনি মত দেন।