ঢাকা ০৮:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 12

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতি ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে, যা সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০১ বিলিয়ন ডলারে। এক বছর আগে এ অঙ্ক ছিল ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার, ফলে এক বছরের ব্যবধানে অর্থনীতির আকারে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।

প্রবৃদ্ধির হারও কিছুটা উন্নতি দেখিয়েছে। চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে, যেখানে আগের বছরে এটি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। যদিও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ৪ শতাংশের নিচে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল, প্রাথমিক তথ্য সেই অনুমানকে ছাড়িয়ে গেছে।

খাতভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, কৃষি ও সেবা খাত প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমেছে, যা আগের বছর ছিল ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি আয়ের গতি ধীর হওয়া এবং মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কিছুটা দুর্বল হয়ে শিল্প খাতের ওপর প্রভাব ফেলেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৫০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪১:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতি ৫০০ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে, যা সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫০১ বিলিয়ন ডলারে। এক বছর আগে এ অঙ্ক ছিল ৪৫৬ বিলিয়ন ডলার, ফলে এক বছরের ব্যবধানে অর্থনীতির আকারে উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে।

প্রবৃদ্ধির হারও কিছুটা উন্নতি দেখিয়েছে। চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশে, যেখানে আগের বছরে এটি ছিল ৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। যদিও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ৪ শতাংশের নিচে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিল, প্রাথমিক তথ্য সেই অনুমানকে ছাড়িয়ে গেছে।

খাতভিত্তিক চিত্রে দেখা যায়, কৃষি ও সেবা খাত প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রেখেছে। কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২ দশমিক ৭৮ শতাংশ এবং সেবা খাতে ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। অন্যদিকে শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধি কমে ২ দশমিক ৮৬ শতাংশে নেমেছে, যা আগের বছর ছিল ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানি আয়ের গতি ধীর হওয়া এবং মূল্যস্ফীতির চাপের কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কিছুটা দুর্বল হয়ে শিল্প খাতের ওপর প্রভাব ফেলেছে।