ঢাকা ০১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করল বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 61

অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করল বাংলাদেশ

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসাইন ও তাসকিন আহমেদের পেস তোপে দাঁড়াতেই পারেনি স্বাগতিকদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রান খরচ করে এই সাফল্য পান তিনি। এবাদত হোসাইন ও তাসকিন আহমেদও নেন দুটি করে উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন স্টিভেন স্মিথ।

ডারউইনের বাউন্সি উইকেটের সুবিধা শুরু থেকেই কাজে লাগান বাংলাদেশের পেসাররা। নতুন বলে তাসকিন ও হাসান দুই দিক থেকেই সুইং আদায় করে অজি ব্যাটারদের চাপে রাখেন। হাসানের বলে শুরুতেই বিপদে পড়েছিলেন ট্রাভিস হেড, তবে ক্যাচ নিরাপদ জায়গায় পড়ায় সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেটের জন্য অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। ইনিংসের ১২তম ওভারে হাসানের বলে এজ হয়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন ২৩ রান করা অজি ওপেনার। এতে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে।

এরপর নিজের পরের ওভারেই ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়াকে আরও চাপে ফেলেন হাসান। ২২ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।

১৭তম ওভারে এবাদতের বলে স্টিভেন স্মিথের ক্যাচ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে পরের ওভারেই মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেট তুলে নেন এবাদত। মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লাবুশেন।

এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেন ক্যামেরন গ্রিন। তাসকিনের বলে ছক্কাও হাঁকান তিনি। তবে একই ওভারের শেষ বলে অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। ১৩ রান করে ফেরেন তিনি। লাঞ্চে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৭৪ রান।

লাঞ্চের পর স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিলেও ৫৫ রানের জুটি ভেঙে দেন এবাদত। ১৯ রান করা ক্যারিকে বোল্ড করেন তিনি।

এরপর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে আবারও ধস নামে। ১২ রান করা বো ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন তাসকিন। পরে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্কও দুই অঙ্কে পৌঁছানোর আগেই সাজঘরে ফেরেন। ফলে চা বিরতির আগেই ৮ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

চা বিরতির পরও বাংলাদেশের দাপট অব্যাহত থাকে। ৭১ রান করা স্মিথকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন হাসান মাহমুদ। এরপর নাথান লায়নকেও আউট করে ইনিংসে ৬ উইকেটের কীর্তি গড়েন তিনি।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুর্দান্ত পেস বোলিংয়ের সামনে ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ফলে প্রথম ইনিংসেই বড় সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করল বাংলাদেশ

সর্বশেষ আপডেট ১২:২০:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসাইন ও তাসকিন আহমেদের পেস তোপে দাঁড়াতেই পারেনি স্বাগতিকদের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে একাই ৬ উইকেট শিকার করেছেন হাসান মাহমুদ। ৫৫ রান খরচ করে এই সাফল্য পান তিনি। এবাদত হোসাইন ও তাসকিন আহমেদও নেন দুটি করে উইকেট। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন স্টিভেন স্মিথ।

ডারউইনের বাউন্সি উইকেটের সুবিধা শুরু থেকেই কাজে লাগান বাংলাদেশের পেসাররা। নতুন বলে তাসকিন ও হাসান দুই দিক থেকেই সুইং আদায় করে অজি ব্যাটারদের চাপে রাখেন। হাসানের বলে শুরুতেই বিপদে পড়েছিলেন ট্রাভিস হেড, তবে ক্যাচ নিরাপদ জায়গায় পড়ায় সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার প্রথম উইকেটের জন্য অবশ্য খুব বেশি অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে। ইনিংসের ১২তম ওভারে হাসানের বলে এজ হয়ে উইকেটকিপার লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন ২৩ রান করা অজি ওপেনার। এতে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে।

এরপর নিজের পরের ওভারেই ট্রাভিস হেডকে বোল্ড করে অস্ট্রেলিয়াকে আরও চাপে ফেলেন হাসান। ২২ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।

১৭তম ওভারে এবাদতের বলে স্টিভেন স্মিথের ক্যাচ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। তবে পরের ওভারেই মার্নাস লাবুশেনকে ফিরিয়ে প্রথম উইকেট তুলে নেন এবাদত। মাত্র ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন লাবুশেন।

এরপর আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেন ক্যামেরন গ্রিন। তাসকিনের বলে ছক্কাও হাঁকান তিনি। তবে একই ওভারের শেষ বলে অন সাইডে খেলতে গিয়ে শর্ট মিডউইকেটে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দেন গ্রিন। ১৩ রান করে ফেরেন তিনি। লাঞ্চে যাওয়ার সময় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ৭৪ রান।

লাঞ্চের পর স্টিভেন স্মিথ ও অ্যালেক্স ক্যারি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের ব্যাটে অস্ট্রেলিয়া ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিলেও ৫৫ রানের জুটি ভেঙে দেন এবাদত। ১৯ রান করা ক্যারিকে বোল্ড করেন তিনি।

এরপর অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিংয়ে আবারও ধস নামে। ১২ রান করা বো ওয়েবস্টারকে বোল্ড করেন তাসকিন। পরে প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্কও দুই অঙ্কে পৌঁছানোর আগেই সাজঘরে ফেরেন। ফলে চা বিরতির আগেই ৮ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

চা বিরতির পরও বাংলাদেশের দাপট অব্যাহত থাকে। ৭১ রান করা স্মিথকে ফিরিয়ে নিজের পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন হাসান মাহমুদ। এরপর নাথান লায়নকেও আউট করে ইনিংসে ৬ উইকেটের কীর্তি গড়েন তিনি।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের দুর্দান্ত পেস বোলিংয়ের সামনে ৫৩ ওভারে ১৯৮ রানেই অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। ফলে প্রথম ইনিংসেই বড় সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সামনে।