ঢাকা ০৩:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • / 44

জাতীয় সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, পদ্মা অববাহিকার কৃষিভিত্তিক অঞ্চলকে মরুকরণ থেকে রক্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিপুল জনগোষ্ঠী নদী-নির্ভর জীবিকার ওপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, এটি কার্যত একটি “জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মন্ত্রী আরও জানান, পদ্মা ব্যারেজ ধারণাটি নতুন নয়। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একাধিক সমীক্ষার মাধ্যমে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০২ সালে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং ২০০৪ সালে বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, সরকারের বর্তমান নীতিগত অগ্রাধিকারের তালিকায় এই প্রকল্পটি রয়েছে। ইতোমধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা, আর বাস্তবায়ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২০৩৩ সালের মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে পানিসম্পদ মন্ত্রী জানিয়েছেন, পদ্মা অববাহিকার কৃষিভিত্তিক অঞ্চলকে মরুকরণ থেকে রক্ষা এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ ২০৩৩ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে বিপুল জনগোষ্ঠী নদী-নির্ভর জীবিকার ওপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, এটি কার্যত একটি “জীবনরক্ষাকারী উদ্যোগ” হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মন্ত্রী আরও জানান, পদ্মা ব্যারেজ ধারণাটি নতুন নয়। ১৯৬০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে একাধিক সমীক্ষার মাধ্যমে এর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০০২ সালে সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করা হয় এবং ২০০৪ সালে বিস্তারিত সমীক্ষা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, যা ২০১৩ সালে সম্পন্ন হয়।

তিনি বলেন, সরকারের বর্তমান নীতিগত অগ্রাধিকারের তালিকায় এই প্রকল্পটি রয়েছে। ইতোমধ্যে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা, আর বাস্তবায়ন সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।