র্যাবের নাম ও আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা
- সর্বশেষ আপডেট ০১:২০:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / 29
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) আর আগের রূপে থাকছে না বলে জানিয়েছেন সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৯ মে) তথ্য অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
উপদেষ্টা জানান, এই বাহিনীর আমূল সংস্কারের লক্ষ্যে আলাদা আইন তৈরি করা হচ্ছে এবং এর নামও বদলে যেতে পারে। এছাড়া তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পানি সংরক্ষণের বিষয়টি যুক্ত করে প্রকল্প সংশোধনের কথাও জানান তিনি।
দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাঠামোগত সংস্কার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে একটি বড় ধরনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত এই বাহিনীর অতীত বিতর্ক দূর করে একে সম্পূর্ণ পেশাদার হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
মূলত র্যাবের নাম ও আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো বাহিনীর কার্যক্রমকে আইনি কাঠামোর মধ্যে আনা। উপদেষ্টা স্পষ্ট করেছেন যে, এই বাহিনীকে কোনো ধরনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হবে না।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের উত্তরাঞ্চলের জনগুরুত্বপূর্ণ তিস্তা নদী প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন তথ্য উপদেষ্টা। বর্তমানে র্যাবের নাম ও আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত আলোচনার পাশাপাশি তিনি জানান, পূর্বের তিস্তা মহাপরিকল্পনাটিতে কেবল বন্যা ও নদীভাঙন রোধের ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল।
সেখানে পানি সংরক্ষণের কোনো কার্যকরী ব্যবস্থা ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশনায় এখন পানি সংরক্ষণের বিষয়টি যুক্ত করে প্রকল্পটিতে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হচ্ছে।
রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে একটি সুশৃঙ্খল এবং শক্তিশালী বিশেষ বাহিনীর প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে সরকার। বর্তমানে র্যাবের নাম ও আইন পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাহিনীটির জবাবদিহিতা শতভাগ নিশ্চিত করা হবে।
এই সংস্কার প্রক্রিয়ার পর নতুন আইন ও নামে বাহিনীটি জনগণের নিরাপত্তা রক্ষায় আরও নিবেদিতভাবে কাজ করতে পারবে। পরিশেষে বলা যায়, এই যুগান্তকারী প্রশাসনিক ও নীতিগত সংস্কারগুলো দেশের সুশাসন ও আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।































