ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার দাবি, বাজারে ‘গতি’ ফেরাতে চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 18

পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। সংগঠনটির মতে, বর্তমান মূল্যসীমা লেনদেনকে অস্বাভাবিকভাবে আটকে দিচ্ছে।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানায় ডিবিএ। চিঠিতে প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ফ্লোর প্রাইসের কারণে বাজারে কার্যত এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, যা স্বাভাবিক লেনদেনের পথ সংকুচিত করছে।

উদাহরণ টেনে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে—বেক্সিমকো লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় লেনদেনহীন অবস্থায় পড়ে আছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিসহ আরও কিছু শেয়ারে, যেগুলো ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় বিক্রেতারা কার্যত বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না।

ডিবিএর পর্যবেক্ষণে, এই সীমাবদ্ধতা কেবল লেনদেন কমাচ্ছে না; বরং মার্জিন ঋণ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচক ইক্যুইটির চাপ তৈরি হচ্ছে, যা বাজারের সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য অস্বস্তিকর সংকেত হতে পারে।

সংগঠনটি আরও ইঙ্গিত দেয়, এমন কৃত্রিম মূল্যনিয়ন্ত্রণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাজারের স্বাভাবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফলে আস্থার জায়গাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এই প্রেক্ষাপটে, সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলোর ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস দ্রুত তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। তাদের প্রত্যাশা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারে লেনদেনের স্বাভাবিক ছন্দ ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পুঁজিবাজারে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার দাবি, বাজারে ‘গতি’ ফেরাতে চাপ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০০:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

পুঁজিবাজারে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটাতে ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। সংগঠনটির মতে, বর্তমান মূল্যসীমা লেনদেনকে অস্বাভাবিকভাবে আটকে দিচ্ছে।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ দাবি জানায় ডিবিএ। চিঠিতে প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ফ্লোর প্রাইসের কারণে বাজারে কার্যত এক ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, যা স্বাভাবিক লেনদেনের পথ সংকুচিত করছে।

উদাহরণ টেনে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে—বেক্সিমকো লিমিটেড দীর্ঘ সময় ধরে প্রায় লেনদেনহীন অবস্থায় পড়ে আছে। একই প্রবণতা দেখা গেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিসহ আরও কিছু শেয়ারে, যেগুলো ফ্লোর প্রাইসে আটকে থাকায় বিক্রেতারা কার্যত বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না।

ডিবিএর পর্যবেক্ষণে, এই সীমাবদ্ধতা কেবল লেনদেন কমাচ্ছে না; বরং মার্জিন ঋণ নেওয়া বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচক ইক্যুইটির চাপ তৈরি হচ্ছে, যা বাজারের সামগ্রিক স্থিতিশীলতার জন্য অস্বস্তিকর সংকেত হতে পারে।

সংগঠনটি আরও ইঙ্গিত দেয়, এমন কৃত্রিম মূল্যনিয়ন্ত্রণ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে বাজারের স্বাভাবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। ফলে আস্থার জায়গাটিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে—এমন আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এই প্রেক্ষাপটে, সংশ্লিষ্ট শেয়ারগুলোর ওপর আরোপিত ফ্লোর প্রাইস দ্রুত তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ডিবিএ। তাদের প্রত্যাশা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা ও বাজারে লেনদেনের স্বাভাবিক ছন্দ ফেরাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে।