ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা পাচ্ছে ৭,৫০০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 22

সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক ক্ষতির ধাক্কায় বিপর্যস্ত হাওর অঞ্চলের কৃষকদের জন্য নগদ সহায়তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

হাওর অঞ্চলে সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির শিকার কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী প্রত্যেক কৃষককে সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী তিন মাস ধরে চলবে।

সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের একটি অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তার ভাষায়, ক্ষতিগ্রস্তদের একটি নির্ভুল তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে, যাতে সহায়তা বণ্টনে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না থাকে।

এদিকে সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা আলুর বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাম্পার ফলন হলেও সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার দুর্বলতায় কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না—এমন মন্তব্য উঠে আসে আলোচনায়। সমস্যাটিকে তাৎক্ষণিক নয়, বরং কাঠামোগত হিসেবে দেখার প্রবণতাই সেখানে স্পষ্ট ছিল।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার আলুর বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তার মতে, উৎপাদন ভালো হলেও বাজার ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে কৃষকের লাভ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কুরবানির পশুর বাজার নিয়েও আলোচনায় আসে কিছু বাস্তবতা। মন্ত্রী বলেন, দেশে কুরবানির গরুর কোনো ঘাটতি নেই; বরং সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থাতেই রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে নতুন করে গরু প্রবেশের সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করেন। ফলে বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই সরকারের মূল্যায়ন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা পাচ্ছে ৭,৫০০ টাকা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৭:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক ক্ষতির ধাক্কায় বিপর্যস্ত হাওর অঞ্চলের কৃষকদের জন্য নগদ সহায়তা ও পুনর্বাসন কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার।

হাওর অঞ্চলে সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির শিকার কৃষকদের জন্য আর্থিক সহায়তার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ক্ষতির মাত্রা অনুযায়ী প্রত্যেক কৃষককে সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে শুরু করে আরও বেশি সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। এই সহায়তা কার্যক্রম আগামী তিন মাস ধরে চলবে।

সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের একটি অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তার ভাষায়, ক্ষতিগ্রস্তদের একটি নির্ভুল তালিকা তৈরির কাজ ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে, যাতে সহায়তা বণ্টনে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি না থাকে।

এদিকে সম্মেলনে জেলা প্রশাসকরা আলুর বাজার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাম্পার ফলন হলেও সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থার দুর্বলতায় কৃষকরা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না—এমন মন্তব্য উঠে আসে আলোচনায়। সমস্যাটিকে তাৎক্ষণিক নয়, বরং কাঠামোগত হিসেবে দেখার প্রবণতাই সেখানে স্পষ্ট ছিল।

জবাবে কৃষিমন্ত্রী জানান, সরকার আলুর বাজার সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। তার মতে, উৎপাদন ভালো হলেও বাজার ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে কৃষকের লাভ নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

কুরবানির পশুর বাজার নিয়েও আলোচনায় আসে কিছু বাস্তবতা। মন্ত্রী বলেন, দেশে কুরবানির গরুর কোনো ঘাটতি নেই; বরং সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থাতেই রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে নতুন করে গরু প্রবেশের সম্ভাবনাও তিনি নাকচ করেন। ফলে বাজারে বড় ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই সরকারের মূল্যায়ন।