ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 13

ছবি সংগৃহীত

টানা বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের নদীগুলো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে উঠেছে, নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সাতটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে, এতে হাওরাঞ্চলজুড়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই তথ্য জানায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। নেত্রকোনার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জে একই পরিমাণ এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টির তথ্য পাওয়া গেছে। এই ধারাবাহিক বৃষ্টিই মূলত নদীগুলোর পানির স্তর দ্রুত বাড়িয়ে দিয়েছে।

পাউবোর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ অঞ্চলের অন্তত আটটি নদী পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জের নলজুর নদী, নেত্রকোনার ধনু-বাউলাই ও সোমেশ্বরী নদীতে পানির উচ্চতা স্বাভাবিক সীমা ছাড়িয়ে যথাক্রমে ৪০, ৮ এবং ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছে। একই পরিস্থিতি ভুগাই-কংশ, মগরা, কালনী ও সুতাং নদীতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কেন্দ্রটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, হাওরাঞ্চলের নদীগুলোতে পানি এখনও ধীরে ধীরে বাড়ছে—প্রতি ঘণ্টায় প্রায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই গতি আপাতদৃষ্টিতে কম মনে হলেও টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসও স্বস্তির নয়। আগামী কয়েক দিন দেশজুড়ে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৭ নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার শঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে হাওরাঞ্চলের নদীগুলো অস্বাভাবিকভাবে ফুলে উঠেছে, নতুন করে বন্যার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে।

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে সাতটি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে, এতে হাওরাঞ্চলজুড়ে স্বল্পমেয়াদি বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সোমবার (৪ মে) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এই তথ্য জানায়।

গত ২৪ ঘণ্টায় ওই অঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। নেত্রকোনার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জে একই পরিমাণ এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টির তথ্য পাওয়া গেছে। এই ধারাবাহিক বৃষ্টিই মূলত নদীগুলোর পানির স্তর দ্রুত বাড়িয়ে দিয়েছে।

পাউবোর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ অঞ্চলের অন্তত আটটি নদী পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। সুনামগঞ্জের নলজুর নদী, নেত্রকোনার ধনু-বাউলাই ও সোমেশ্বরী নদীতে পানির উচ্চতা স্বাভাবিক সীমা ছাড়িয়ে যথাক্রমে ৪০, ৮ এবং ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে উঠেছে। একই পরিস্থিতি ভুগাই-কংশ, মগরা, কালনী ও সুতাং নদীতেও লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কেন্দ্রটির পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, হাওরাঞ্চলের নদীগুলোতে পানি এখনও ধীরে ধীরে বাড়ছে—প্রতি ঘণ্টায় প্রায় শূন্য থেকে এক সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই গতি আপাতদৃষ্টিতে কম মনে হলেও টানা বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি দ্রুত বদলে যেতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসও স্বস্তির নয়। আগামী কয়েক দিন দেশজুড়ে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হয়নি।