ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনা প্রতিষ্ঠানের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 19

পোলিও ডোজ দিল চীন

বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচিকে (ইপিআই) আরও গতিশীল করতে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক স্বীকৃত এই ভ্যাকসিনগুলো দেশের শিশুদের পোলিওমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বন্ধুপ্রতিম দেশ চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ হু (WHO) প্রি-কোয়ালিফাইড পোলিও ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। মূলত সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান দেওয়ার এই কর্মসূচিটি সরকারের ইপিআই কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে। সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যাকসিনের ৭৬ হাজার ভায়াল গ্রহণ করেন।

ভ্যাকসিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান পাওয়ার ফলে শিশুদের পোলিও রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা বাড়বে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে এই সহায়তার জন্য সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন এবং চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এর ফলে দেশের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

সিনোভ্যাকের এই ভ্যাকসিনগুলো মূলত ইনঅ্যাক্টিভেটেড সাবিন স্ট্রেইন (sIPV) প্রযুক্তিতে তৈরি, যা পোলিও প্রতিরোধে অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর। বর্তমানে সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান এমন সময়ে এলো যখন সরকার সারা দেশে টিকার আওতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। মূলত শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরিশেষে বলা যায়, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পোলিওমুক্ত রাখতে বড় অবদান রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চীনা প্রতিষ্ঠানের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারের টিকাদান কর্মসূচিকে (ইপিআই) আরও গতিশীল করতে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কর্তৃক স্বীকৃত এই ভ্যাকসিনগুলো দেশের শিশুদের পোলিওমুক্ত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ও টিকাদান কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে বন্ধুপ্রতিম দেশ চীন বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ হু (WHO) প্রি-কোয়ালিফাইড পোলিও ভ্যাকসিন প্রদান করেছে। মূলত সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান দেওয়ার এই কর্মসূচিটি সরকারের ইপিআই কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করবে। সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভ্যাকসিনের ৭৬ হাজার ভায়াল গ্রহণ করেন।

ভ্যাকসিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান পাওয়ার ফলে শিশুদের পোলিও রোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের সক্ষমতা বাড়বে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে এই সহায়তার জন্য সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন এবং চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এর ফলে দেশের টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।

সিনোভ্যাকের এই ভ্যাকসিনগুলো মূলত ইনঅ্যাক্টিভেটেড সাবিন স্ট্রেইন (sIPV) প্রযুক্তিতে তৈরি, যা পোলিও প্রতিরোধে অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর। বর্তমানে সিনোভ্যাকের পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান এমন সময়ে এলো যখন সরকার সারা দেশে টিকার আওতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে। মূলত শিশুদের নিরবচ্ছিন্ন সুরক্ষা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পরিশেষে বলা যায়, এই আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পোলিওমুক্ত রাখতে বড় অবদান রাখবে।