ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 36

নবায়নযোগ্য জ্বালানি

জ্বালানি সংকট ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বর্তমানে ৭৩টি প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে বাতিল হওয়া ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরায় চালু এবং ১০টি নতুন স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের পাশাপাশি বর্জ্য ও সোলার রুফটপ থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং এলএনজি ও কয়লার আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত এখন বিকল্প পথে হাঁটছে। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে নজর দিয়েছে। মূলত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য আগামী চার বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ জোরেশোরে শুরু করেছে।

বর্তমানে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। নতুন করে আরও ১১টি প্রকল্প চালুর অপেক্ষায় আছে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য পূরণে আগের বাতিল হওয়া ৩১টি প্রকল্প ফের চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ আসবে। উল্লেখ্য যে, নতুন টেন্ডার হওয়া প্রকল্পগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ৪৯ পয়সার মতো পড়ছে, যা তুলনামূলক সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় নতুন করে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, অব্যবহৃত জমিতে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকায় বাসাবাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার জন্য জুন মাসে নতুন নীতিমালা আসছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম মনে করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে দ্রুত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দুই বছরের মধ্যেই বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটানো সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, সরকারের এইমুখী অবস্থান দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৯:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

জ্বালানি সংকট ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে এই খাত থেকে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বর্তমানে ৭৩টি প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এর মধ্যে বাতিল হওয়া ৩১টি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প পুনরায় চালু এবং ১০টি নতুন স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সৌর ও বায়ুবিদ্যুতের পাশাপাশি বর্জ্য ও সোলার রুফটপ থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

জ্বালানি তেলের উচ্চমূল্য এবং এলএনজি ও কয়লার আমদানিনির্ভরতা কমাতে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত এখন বিকল্প পথে হাঁটছে। সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনে জীবাশ্ম জ্বালানির পরিবর্তে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির দিকে নজর দিয়েছে। মূলত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য অর্জনের জন্য আগামী চার বছরে ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ খাস জমি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের কাজ জোরেশোরে শুরু করেছে।

বর্তমানে ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১ হাজার ৬৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। নতুন করে আরও ১১টি প্রকল্প চালুর অপেক্ষায় আছে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য পূরণে আগের বাতিল হওয়া ৩১টি প্রকল্প ফের চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ আসবে। উল্লেখ্য যে, নতুন টেন্ডার হওয়া প্রকল্পগুলোতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ৪৯ পয়সার মতো পড়ছে, যা তুলনামূলক সাশ্রয়ী। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় ১০টি জেলায় নতুন করে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানিয়েছেন, অব্যবহৃত জমিতে পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বড় লক্ষ্য বাস্তবায়নে ঢাকায় বাসাবাড়ির ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার জন্য জুন মাসে নতুন নীতিমালা আসছে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তামিম মনে করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে দ্রুত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা গেলে দুই বছরের মধ্যেই বিদ্যুৎ ঘাটতি মেটানো সম্ভব। পরিশেষে বলা যায়, সরকারের এইমুখী অবস্থান দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।