ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তিন ধাপে নতুন পে-স্কেলের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 53

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বড় প্রস্তুতি চলছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার সংস্থানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একবারে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপ কার্যকর হতে পারে। এ পর্যায়ে মূল বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি দেওয়া হতে পারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হতে পারে।

প্রস্তাবে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন বৈষম্য কমানোর কথা বলা হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামানোর সুপারিশ রয়েছে। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব এসেছে। গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এ ছাড়া ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। নতুন পে-স্কেলের সুবিধা প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি বর্তমানে মহার্ঘ ভাতা ও নতুন বেতন কাঠামোর সমন্বয় নিয়ে কাজ করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিন ধাপে নতুন পে-স্কেলের পরিকল্পনা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বড় প্রস্তুতি চলছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার সংস্থানের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে।

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে-স্কেল নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনা চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নতুন বেতন কাঠামো একবারে নয়, বরং তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেলের প্রথম ধাপ কার্যকর হতে পারে। এ পর্যায়ে মূল বেতনের প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি দেওয়া হতে পারে। ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় এবং ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াতসহ অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হতে পারে।

প্রস্তাবে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন বৈষম্য কমানোর কথা বলা হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামানোর সুপারিশ রয়েছে। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব এসেছে। গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এ ছাড়া ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়ও আলোচনায় রয়েছে। নতুন পে-স্কেলের সুবিধা প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি বর্তমানে মহার্ঘ ভাতা ও নতুন বেতন কাঠামোর সমন্বয় নিয়ে কাজ করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।