ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 27

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

শিশু নির্যাতনকে একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আখ্যায়িত করে এটি মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শিশু নির্যাতন কেবল কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এই ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। ‘নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’ এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁর বক্তব্যে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সম্পূর্ণ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সমাজে শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে কী কী ঘাটতি বা দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, দেশের প্রতিটি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা শিশু রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিশিষ্ট অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং নিহত শিশু রামিসার বাবা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

শিশু নির্যাতনকে একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আখ্যায়িত করে এটি মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, শিশু নির্যাতন কেবল কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয়। এই ভয়াবহ সামাজিক সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে একযোগে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক বিশেষ গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। ‘নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল’ এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল তাঁর বক্তব্যে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সম্পূর্ণ সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সমাজে শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ সঠিকভাবে চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে কী কী ঘাটতি বা দুর্বলতা রয়েছে সেগুলো নিবিড়ভাবে মূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, দেশের প্রতিটি শিশুর শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে যার যার অবস্থান থেকে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সম্প্রতি দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করা শিশু রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে ডেপুটি স্পিকার বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় এই গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, বিশিষ্ট অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল এবং নিহত শিশু রামিসার বাবা।