ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হিজবুল্লাহর নতুন অস্রে বেসামাল ইসরায়েল

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 5

লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে নতুন ধরনের ‘ফাইবার অপটিক ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলার সক্ষমতা বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ; বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রযুক্তি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলি সেনা ও ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলায় এখন ছোট আকারের ফাইবার অপটিক ড্রোন ব্যবহার বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও এই ড্রোনগুলো শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা অনেক বেশি কঠিন, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এগুলো কোনো ওয়্যারলেস সিগন্যালের ওপর নির্ভর করে না। বরং সরাসরি ফাইবার অপটিক তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ফলে প্রচলিত সিগন্যাল জ্যামিং প্রযুক্তি দিয়ে এগুলো অকার্যকর করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার এই ভিন্নতা ড্রোনগুলোকে আরও নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম করে তুলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ড্রোনের তারের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এতে অপারেটররা নিরাপদ দূরত্বে থেকেই হামলা পরিচালনা করতে পারছেন, যা ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে ড্রোনে শক্তিশালী বিস্ফোরক যুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসরায়েলি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন প্রযুক্তির ড্রোনগুলো তাদের বাহিনীর জন্য ক্রমেই বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পাশাপাশি এ ধরনের আক্রমণ মোকাবিলায় নতুন কৌশল খুঁজছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধের চরিত্র বদলে দিচ্ছে, যেখানে ছোট ও কম খরচের অস্ত্রও কৌশলগতভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হিজবুল্লাহর নতুন অস্রে বেসামাল ইসরায়েল

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যে নতুন ধরনের ‘ফাইবার অপটিক ড্রোন’ ব্যবহার করে হামলার সক্ষমতা বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ; বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রযুক্তি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলি সেনা ও ট্যাংক লক্ষ্য করে হামলায় এখন ছোট আকারের ফাইবার অপটিক ড্রোন ব্যবহার বাড়িয়েছে হিজবুল্লাহ। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, তুলনামূলক কম খরচে তৈরি হলেও এই ড্রোনগুলো শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা অনেক বেশি কঠিন, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন বাস্তবতা তৈরি করছে।

এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এগুলো কোনো ওয়্যারলেস সিগন্যালের ওপর নির্ভর করে না। বরং সরাসরি ফাইবার অপটিক তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। ফলে প্রচলিত সিগন্যাল জ্যামিং প্রযুক্তি দিয়ে এগুলো অকার্যকর করা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার এই ভিন্নতা ড্রোনগুলোকে আরও নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম করে তুলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব ড্রোনের তারের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এতে অপারেটররা নিরাপদ দূরত্বে থেকেই হামলা পরিচালনা করতে পারছেন, যা ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দিচ্ছে। একই সঙ্গে ড্রোনে শক্তিশালী বিস্ফোরক যুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

সিএনএনকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসরায়েলি সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন প্রযুক্তির ড্রোনগুলো তাদের বাহিনীর জন্য ক্রমেই বড় ধরনের হুমকি হয়ে উঠছে। প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার পাশাপাশি এ ধরনের আক্রমণ মোকাবিলায় নতুন কৌশল খুঁজছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের ড্রোন প্রযুক্তি যুদ্ধের চরিত্র বদলে দিচ্ছে, যেখানে ছোট ও কম খরচের অস্ত্রও কৌশলগতভাবে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।