ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 4

দেশে হামজনিত জটিলতায় মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বাড়ছে; গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যার মধ্যে একটির কারণ নিশ্চিতভাবে হাম বলে শনাক্ত হয়েছে।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ কমছে না। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার তথ্যে দেখা গেছে, আরও ১০ শিশু মারা গেছে, যাদের অধিকাংশের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাম-সম্পর্কিত জটিলতাকে দায়ী করা হচ্ছে।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নিহত ১০ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত, বাকি নয়জনের ক্ষেত্রে উপসর্গজনিত জটিলতা ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে।

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত শুধু হামেই মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের, আর উপসর্গজনিত মৃত্যু মিলিয়ে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪-এ। সংখ্যাগুলো একদিকে যেমন সংক্রমণের বিস্তারকে ইঙ্গিত করছে, অন্যদিকে রোগ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতাও সামনে আনছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে, আর নিশ্চিত রোগী রয়েছে প্রায় শতাধিক। সামগ্রিকভাবে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি, আর নিশ্চিত রোগী পাঁচ হাজারের ওপরে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ২৮ হাজার রোগী।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা বিভাগে মৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনঘনত্ব ও টিকাদানের ফাঁকফোকর এখানে সংক্রমণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে—যদিও এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশেষ করে শিশুদের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তা তারা বারবার তুলে ধরছেন। তাদের মতে, দেরি হলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাম পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

দেশে হামজনিত জটিলতায় মৃত্যুর সংখ্যা আবারও বাড়ছে; গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ শিশুর মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যার মধ্যে একটির কারণ নিশ্চিতভাবে হাম বলে শনাক্ত হয়েছে।

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে উদ্বেগ কমছে না। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টার তথ্যে দেখা গেছে, আরও ১০ শিশু মারা গেছে, যাদের অধিকাংশের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হাম-সম্পর্কিত জটিলতাকে দায়ী করা হচ্ছে।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নিহত ১০ জনের মধ্যে একজনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত, বাকি নয়জনের ক্ষেত্রে উপসর্গজনিত জটিলতা ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে সতর্কতা তৈরি হয়েছে।

চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত শুধু হামেই মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের, আর উপসর্গজনিত মৃত্যু মিলিয়ে সেই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪৪-এ। সংখ্যাগুলো একদিকে যেমন সংক্রমণের বিস্তারকে ইঙ্গিত করছে, অন্যদিকে রোগ ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতাও সামনে আনছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে, আর নিশ্চিত রোগী রয়েছে প্রায় শতাধিক। সামগ্রিকভাবে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৪০ হাজারের বেশি, আর নিশ্চিত রোগী পাঁচ হাজারের ওপরে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন প্রায় ২৮ হাজার রোগী।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা বিভাগে মৃত্যুর হার তুলনামূলক বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, জনঘনত্ব ও টিকাদানের ফাঁকফোকর এখানে সংক্রমণকে আরও জটিল করে তুলতে পারে—যদিও এটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত নয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। বিশেষ করে শিশুদের ঝুঁকি বেশি হওয়ায় দ্রুত শনাক্তকরণ, সময়মতো চিকিৎসা এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজনীয়তা তারা বারবার তুলে ধরছেন। তাদের মতে, দেরি হলে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।