ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রাম-শহরে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 4

দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারে সরকার প্রতিভা অন্বেষণ ও ক্রীড়া কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের গ্রাম-শহর মিলিয়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করাই এখন ক্রীড়া উন্নয়নের মূল লক্ষ্য—এমন মন্তব্য করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তার ভাষায়, পরিকল্পিতভাবে এগোতে পারলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে আরও দৃশ্যমান অবস্থান তৈরি করতে পারে, যদিও সেই পথ সহজ নয় এবং ধাপে ধাপে অগ্রগতি দরকার।

রোববার বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএসজেএ) আয়োজিত এক ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তিনি জানান, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” নামের একটি উদ্যোগের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভা চিহ্নিত করার কাজ আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের আগ্রহের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে খেলাধুলার মান উন্নয়নে নজরদারি বাড়ানোর কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা ও খেলোয়াড় উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে।

ক্রীড়া কূটনীতি বা “স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি” নিয়েও তিনি কিছু পরিকল্পনার কথা জানান। এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল চালুর কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে এই উদ্যোগ কত দ্রুত বাস্তব ফল দেবে, তা বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপরই নির্ভর করবে বলে ধারণা পাওয়া যায়।

ফুটবল ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোচ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে, আর প্রয়োজনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সমন্বয় করবে।

কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে একটি উচ্চমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়েও অগ্রগতি চলছে বলে জানান তিনি, যদিও প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক প্রশাসনিক ধাপে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সাংবাদিকদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিএসজেএ-এর উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

একই সঙ্গে চিকিৎসক ও সমাজসেবী জুবাইদা রহমান-এর ইতিবাচক সমর্থনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যা ক্রীড়া উন্নয়নের সামাজিক ভিত্তি শক্ত করার একটি অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্রাম-শহরে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজা হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট ০৬:১০:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন খেলোয়াড় তৈরি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক জোরদারে সরকার প্রতিভা অন্বেষণ ও ক্রীড়া কূটনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

দেশের গ্রাম-শহর মিলিয়ে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাবনাময় খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করাই এখন ক্রীড়া উন্নয়নের মূল লক্ষ্য—এমন মন্তব্য করেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

তার ভাষায়, পরিকল্পিতভাবে এগোতে পারলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে আরও দৃশ্যমান অবস্থান তৈরি করতে পারে, যদিও সেই পথ সহজ নয় এবং ধাপে ধাপে অগ্রগতি দরকার।

রোববার বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিএসজেএ) আয়োজিত এক ফুটবল প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে তিনি জানান, “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” নামের একটি উদ্যোগের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভা চিহ্নিত করার কাজ আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের আগ্রহের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে খেলাধুলার মান উন্নয়নে নজরদারি বাড়ানোর কথাও উঠে আসে তার বক্তব্যে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা ও খেলোয়াড় উন্নয়ন ব্যবস্থাকে আরও সংগঠিত করার চেষ্টা চলছে।

ক্রীড়া কূটনীতি বা “স্পোর্টস ডিপ্লোমেসি” নিয়েও তিনি কিছু পরিকল্পনার কথা জানান। এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের অংশ হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ সেল চালুর কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে এই উদ্যোগ কত দ্রুত বাস্তব ফল দেবে, তা বাস্তবায়নের সক্ষমতার ওপরই নির্ভর করবে বলে ধারণা পাওয়া যায়।

ফুটবল ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কোচ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেবে, আর প্রয়োজনে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সমন্বয় করবে।

কক্সবাজারে ফিফার অর্থায়নে একটি উচ্চমানের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের বিষয়েও অগ্রগতি চলছে বলে জানান তিনি, যদিও প্রকল্পটি এখনও প্রাথমিক প্রশাসনিক ধাপে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সাংবাদিকদের ভূমিকাকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিএসজেএ-এর উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

একই সঙ্গে চিকিৎসক ও সমাজসেবী জুবাইদা রহমান-এর ইতিবাচক সমর্থনের কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যা ক্রীড়া উন্নয়নের সামাজিক ভিত্তি শক্ত করার একটি অংশ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।